চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নে প্রায় তিনশ বছর পুরনো হাছন আলী দারোগা জামে মসজিদ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়েছে।
সরকারি খাস জায়গার ওপর ১৭৩৮ সালে নির্মিত ঐতিহাসিক এই মসজিদটি দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনা করে আসছিলেন হাছন আলী চৌধুরীর বংশধরেরা।
সম্প্রতি স্থানীয় আরেকটি পক্ষ মসজিদের নাম পরিবর্তন করে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালায়।
এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বিষয়টি গড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরীর দপ্তরে।
প্রশাসনিক তদন্তে প্রমাণ মেলে যে মসজিদটি ঐতিহাসিকভাবে হাছন আলী দারোগা জামে মসজিদ নামেই প্রতিষ্ঠিত। এরপর উপজেলা প্রশাসন এই নামেই মসজিদের অনুমোদন দেয়।
এছাড়া হাছন আলী চৌধুরী পরিবারের পক্ষ থেকে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে মসজিদ ঘিরে দশমিক বিয়াল্লিশ শতক খাস জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।
নামকরণের সরকারি অনুমোদন পাওয়ায় এলাকাবাসী আনন্দ প্রকাশ করেছেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
দাবি পূরণ হওয়ায় মসজিদের আহ্বায়ক কমিটি ও সাধারণ জনগণ এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছেন।
মাওলানা মো. শফিউল আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন মাদরাসা-এ-গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর প্রভাষক মাওলানা মুজিবুল হক। সভায় বক্তব্য দেন হাছন আলী দারোগা জামে মসজিদের খতিব ও ইমাম মাওলানা মো. আকতার হোসেন প্রমুখ।