আর্জেন্টিনা–ব্রাজিল-স্পেনের ফুটবলাররা জাল নথি দিয়ে মালয়েশিয়ান হতে চেয়েছিল

জাল নথি ব্যবহার করে মালয়েশিয়ার নাগরিক পরিচয় নিতে চাওয়ার অভিযোগে সাতজন বিদেশি ফুটবলারকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে খেলানোর উদ্দেশ্যে তাদের নথি জাল করার দায়ে মালয়েশিয়ার ফুটবল ফেডারেশনকেও (এফএএম) কঠোরভাবে অভিযুক্ত করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ফিফার তদন্তে দেখা গেছে, মালয়েশিয়া এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) কাপের বাছাইপর্বে বিদেশি খেলোয়াড়দের খেলানোর জন্য জাল জন্মসনদ তৈরি করেছিল। ওই নথিতে দেখানো হয়, খেলোয়াড়দের দাদা–দাদী বা নানা–নানী নাকি মালয়েশিয়ায় জন্মেছিলেন—যা ‘গ্র্যান্ডফাদার রুল’-এর আওতায় তাদের জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা দিত। কিন্তু ফিফার অনুসন্ধানে প্রমাণ মেলে, খেলোয়াড়রা আসলে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন ও নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।

নিষিদ্ধ সাত ফুটবলার হলেন—
গ্যাব্রিয়েল ফেলিপে অ্যারোচা (স্পেন), ফাকুন্দো তোমাস গারসেস (আর্জেন্টিনা), রদ্রিগো জুলিয়ান হোলগাদো (আর্জেন্টিনা), ইমানোল হাভিয়ের মাচুকা (আর্জেন্টিনা), জোয়াও ভিক্টর ব্রানদাও ফিগুয়েরেদো (ব্রাজিল), জন ইরাজাবাল ইরাউরগি (স্পেন) এবং হেক্টর আলেহান্দ্রো হেভেল সেরানো (নেদারল্যান্ডস)। এই খেলোয়াড়রা কয়েকবছর মালয়েশিয়ান ঘরোয় ফুটবলে খেলে আসছে। 

ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, “যে কেউ ফুটবল–সম্পর্কিত কর্মকাণ্ডে জাল নথি তৈরি, পরিবর্তন বা ব্যবহার করবে, তাকে জরিমানা ও অন্তত ছয় ম্যাচ বা ন্যূনতম ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে।”

ফিফা জানিয়েছে, এফএএমের এমন কাজ ‘পুরোপুরি এক ধরনের প্রতারণা’। তাই সাত খেলোয়াড়কে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি মালয়েশিয়া ফুটবল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রেখেছে সংস্থাটি।

 মালয়েশিয়া জাতীয় দল এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে দুই ম্যাচ জিতে তাদের গ্রুপে শীর্ষে রয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের লাওসের সাথে ম্যাচ রয়েছে।