পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মাদ্রাসা সুপারের অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বেনজির হোসেন পরীক্ষা স্থগিতের এ নির্দেশ দেন।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গতকাল সকাল ১০টায় নদমুলা দাখিল মাদ্রাসায় ইবতেদায়ি প্রধান পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পূর্বে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আটজন প্রার্থী আবেদন করেন এবং বাছাই কমিটি সব আবেদনকারীকে বৈধ ঘোষণা করে।
অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রাসার সুপার ওয়ালিউর রহমান প্রথমে একজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে নিয়োগের আশ্বাস দেন। পরে অন্য এক প্রার্থীর কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের পর আগের প্রার্থীর কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেন। ওই প্রার্থীসহ তিনজন বৈধ প্রার্থীকে সাক্ষাৎকারপত্র ইস্যু না করে তাদের বাদ দেন। অন্যদিকে সুপারের দলীয় ঘনিষ্ঠ পাঁচজন প্রার্থীর নামে সাক্ষাৎকারপত্র ইস্যু করে নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি নেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনগণ ও ম্যানেজিং কমিটির কয়েকজন সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানান। একপর্যায়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক বেনজির হোসেন ঘটনাস্থলে এসে মৌখিক নির্দেশে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুপার ওয়ালিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি খন্দকার রেজাউল করিম বলেন, ‘আমি শারীরিক অসুস্থতার কারণে ঢাকায় ছিলাম। সুপারের অনিয়মের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’