ক্ষতিপূরণ ও অগ্নিনিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ীদের

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণে অনুরোধ করেছে ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। গতকাল রবিবার এফবিসিসিআইয়ের গণসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এফবিসিসিআই তাদের বিজ্ঞপ্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য সমবেদনা জানিয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পর্যাপ্ত সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দরের সর্বস্তরে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের এই সংগঠন।

একই দিনে শাহজালাল বিমানবন্দরে কার্গো ভিলেজে অগ্নিকা-ের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (ডিসিসিআই)। ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদের পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় বলা হয়, ‘সংঘটিত অগ্নিকা-ের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে ঢাকা চেম্বার। সেই সঙ্গে দেশের প্রধান এই বিমানবন্দরসহ অন্য বন্দরগুলোর সর্বস্তরে অগ্নিনিরাপত্তাসহ সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ওপর জোরারোপ করা হয়েছে।’

ডিসিসিআই বলছে, যাত্রীসেবার পাশাপাশি পণ্য আমদানি-রপ্তানির আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য দেশের ব্যবসায়ী সমাজ এই বিমানবন্দরটি অধিকহারে ব্যবহার করে থাকে। তাই এ ধরনের অগ্নিকা-ের ফলে স্থানীয় এবং বিদেশি উদ্যোক্তাদের কাছে পণ্য পরিবহনে অনিরাপত্তা ও অনিশ্চয়তার বিষয়টি দেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে এ ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা উদ্যোক্তাদের আস্থা ও ব্যবসা পরিচালনা কার্যক্রমকে আরও সংকটে ফেলবে।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, সাপ্তাহিক ছুটিতে গত শুক্র ও শনিবার বিমানবন্দরের কার্গো খালাস প্রক্রিয়া বন্ধ থাকায় আমদানি-রপ্তানির জন্য কার্গো ভিলেজে অপেক্ষমাণ পণ্যে অগ্নিকা-ের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা প্রয়োজন। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দ্রুত নিশ্চিতের আহ্বান জানাচ্ছে ডিসিসিআই। দেশের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে, বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে পণ্য খালাস প্রক্রিয়া ছুটির দিনগুলোতেও অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।