কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শনিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার কয়া ইউনিয়নের কালোয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির দুই কর্মী আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতরা হলেন কয়ার কালোয়া গ্রামের জয়নাব শেখের ছেলে জিয়ার শেখ (৫০) এবং মৃত আছাই শেখের ছেলে বিপুল শেখ (৩০)। তাদের মুখে ও মাথায় একাধিক সেলাই দিয়েছেন চিকিৎসক।
তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালোয়া বাজারে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জমারত সরদার গ্রুপের সঙ্গে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রাশিদুল ইসলাম মেম্বার গ্রুপের বিরোধ চলছিল।
গতকাল সকালে বিএনপি নেতা রাশিদুল গ্রুপের লোকজন কালোয়া বাজারে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে বিএনপির দুই কর্মী আহত হন। এরপর উভয় গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, হামলার ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ।
আওয়ামী লীগ নেতা জমারত সরদার বলেন, ‘সকালে বিএনপি নেতা রাশিদুল মেম্বার গুলি করতে করতে তার লোকজন নিয়ে এলাকায় ঢুকে বেশ কিছু বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হবে।’
অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি নেতা রাশিদুল ইসলাম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতা জমারত সরদার বিএনপির একাংশের সঙ্গে মিশে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। কয়েক মাস ধরে মাঝেমধ্যে এমন ঘটনা ঘটাচ্ছে। থানায় এর আগেও মামলা করা হয়েছে। আবারও মামলা করব।’
কুমারখালী থানার ওসি খন্দকার জিয়াউর রহমান বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই দুপক্ষের বিরোধ চলে আসছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’