অবরোধের চার ঘণ্টা পর সচল হলো রেলপথ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজার রেলপথে দুটি নতুন ট্রেন চালুসহ আট দফা দাবিতে রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। রেল

কর্তৃপক্ষের আশ্বাস পাওয়ার পর দুপুর ২টার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। কর্তৃপক্ষের পক্ষে রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মহব্বত জান চৌধুরী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন।

অবরোধের কারণে কুলাউড়া, শায়েস্তাগঞ্জ, শ্রীমঙ্গলসহ বিভিন্ন স্টেশনে অন্তত কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেন আটকা পড়ে। এ বিষয়ে ‘আট দফা দাবি বাস্তবায়ন আন্দোলন’ সংগঠনের সমন্বয়ক আজিজুল ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক এম আতিকুর রহমান আখই জানান, রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

তারা আরও জানান, আট দফা দাবি হলো ঢাকা-সিলেট রুটে অনুমোদিত টাঙ্গুয়ার এক্সপ্রেস দ্রুত চালু, সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-কক্সবাজারে দুটি স্পেশাল ট্রেন, আখাউড়া-সিলেট রুট ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন, আখাউড়া-সিলেট সেকশনে একটি লোকাল ট্রেন চালু, বন্ধ স্টেশন পুনরায় চালু, কুলাউড়া ও শ্রীমঙ্গল স্টেশনে আসনসংখ্যা বৃদ্ধি, কালনী ও পারাবত ট্রেনের অপ্রয়োজনীয় স্টপেজ বাতিল ও অতিরিক্ত বগি সংযোজন। কুলাউড়া স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রোমান আহমদ জানান, অবরোধের কারণে ঢাকা থেকে সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস শায়েস্তাগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে কিছু সময় আটকা পড়ে।

ঈশ্বরদীতে ট্রেনের যাত্রাবিরতি দাবিতে মানববন্ধন: পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন ও ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল ১১টায় ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ঈশ্বরদীর সর্বস্তরের জনসাধারণের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশন ও বাইপাস স্টেশন থেকে বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রা বিরতি বাতিল করায় তীব্র জনদুর্ভোগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে শহরের বিভিন্ন পেশাজীবী, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।