ডেস্কে বসে হার্টের যত্ন নিবেন যেভাবে

আধুনিক, প্রযুক্তি-চালিত বিশ্বে, আমাদের অনেকের বেশিরভাগ কর্মঘণ্টা সময় ডেস্কে বসে কাটাতে হয়। যদিও এই বসে থাকা জীবনধারা আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য একটি প্রয়োজনীয়তা হতে পারে, এটি আমাদের হৃদরোগের স্বাস্থ্যের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ দীর্ঘ সময় বসে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কমে যেতে পারে, রক্তচাপ বাড়তে পারে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে। চলুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক- 

গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি

গ্রিন টি ও ব্ল্যাক টি ফ্ল্যাভানলের ভালো উৎস। এই চা রক্তনালী শিথিল করতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে, যা হার্টের ওপর চাপ কমায়। নিয়মিত চা পানকারীদের রক্তনালীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং রক্তচাপ কম থাকে।

কোকো ও ডার্ক চকলেট

কোকোতে শক্তিশালী ফ্ল্যাভানল থাকে, যা শরীরকে নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। এটি রক্তনালী প্রসারিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে। ৭০% কোকোযুক্ত ডার্ক চকলেট খেলে মিষ্টির প্রতি ইচ্ছা মেটানোর পাশাপাশি হৃদরোগের জন্য উপকারী হতে পারে। 

আপেল

আপেলে কোয়ারসেটিন এবং ক্যাটেচিন নামক ফ্ল্যাভানল থাকে, যা প্রদাহ কমাতে এবং ধমনীর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত আপেল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমাতে সহায়ক হতে পারে।

বেরি

বেরি, যেমন ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি এবং ব্ল্যাকবেরি, শুধু স্বাদে নয়, হৃদরোগের প্রতিরোধে সহায়ক ফ্ল্যাভানল সমৃদ্ধ। এগুলো রক্তনালীকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে, যা ডেস্কে বসে কাজ করা মানুষের জন্য উপকারী খাবার। 

আঙুর

আঙুর, বিশেষ করে কালো জাত, ফ্ল্যাভানল সমৃদ্ধ। এটি নাইট্রিক অক্সাইড উৎপাদন বাড়ায় এবং ধমনীর নমনীয়তা উন্নত করে। তাই দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাস থাকলে লাল বা কালো আঙুর খাওয়ার চেষ্টা করুন।