৩০ ছক্কার ম্যাচে ৪ বলে ৭ রান করতে পারলো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ

১১ ওভারে উইন্ডিজের স্কোর ৪ উইকেটে ৭৪ রান। নিউজিল্যান্ডকে হারাতে শেষ ৯ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ১৩৪। রভম্যান পাওয়েল, রোমারিও শেফার্ড ও ম্যাথু ফোর্ডের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে জয় চলে আসে দৃষ্টি সীমানায়। শেষ ওভারে চাই ১৬ রান। 

কাইল জেমিসনের প্রথম বলে চার মারেন ফোর্ড। একটি ডট বল খেলার পর মারেন আরেকটি চার। বোলার ওভার স্টেপ করায় আম্পায়ার ডাকেন ‘নো’ বল। এতে ২ বল থেকে এসে যায় ৯ রান। অর্থাৎ শেষ ৪ বলে আর মাত্র ৭ রান চাই। ছক্কার চেষ্টায় ক্যাচ দেন পাওয়েল (১৬ বলে ৬ ছক্কায় ৪৫)। শেষ দুই বলে আকিল হোসেন ও ফোর্ড নিতে পারেন কেবল দুটি সিঙ্গেল। জয়ের এত কাছে এসে পরাজয়ের বেদনায় ক্রিজেই বসে পড়েন ব্যাটসম্যান ফোর্ড (১৩ বলে ২৯*)। ৩ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনে নিউজিল্যান্ড। 

অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রিত নিউজিল্যান্ডের শুরুটা করেছিলেন টিম রবিনসন ২৫ বলে ৩৯ রানের ঝলক দিয়ে। তবে ৪ রানের ভেতর ডেভন কনওয়ে ও রবিনসন দ্রুট আউট হওয়ার পর দায়িত্ব নেন মার্ক চ্যাপম্যান। তিনি স্পিন ও পেস—দুই ধরনের বোলিংয়ের বিরুদ্ধেই সমান দক্ষতায় মারেন, ১৯ বলেই তুলে নেন হাফসেঞ্চুরি। ছয়টি চার ও সাতটি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস নিউজিল্যান্ডের রানরেটকে অনেকটা এগিয়ে দেয়।

চ্যাপম্যানের সঙ্গে ড্যারিল মিচেল (১৪ বলে অপরাজিত ২৮) জুটি গড়ে শেষ দিকে দলকে ২০০ রানের ওপরে নিয়ে যান। ম্যাথিউ ফোর্ড শুরুতে ভালো বোলিং করলেও (৪ ওভারে ১৭ রান ও ১ উইকেট), জেডন সিলস ও রোমারিও শেফার্ডকে নির্দয়ভাবে পিটিয়েছেন চ্যাপম্যান। ১৫ ও ১৬তম ওভারে ২৩ করে ৪৬ রান তোলেন তিনি। শেষ ২ ওভারে ৩০ রান তুলে ৫ উইকেটে ২০৭ রানে থামে স্বাগতিকরা। চ্যাপম্যান মাত্র ২৮ বলে ৭৮ রান করেন ৭ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে। সব মিলিয়ে ৩০ ছক্কা হয়েছে ম্যাচে। নিউজিল্যান্ড মেরেছে ১২টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৮টি। ৪ বলে যখন ৭ রান দরকার, যখন একটি ছক্কা হলে টাই হয় ম্যাচ, তখন সেই ছক্কাটি মারতে পারেননি তাদের শেষ দিকের ব্যাটাররা। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নিউজিল্যান্ড ২০৭/৫ (চ্যাপম্যান ৭৮, রবিনসন ৩৯, চেজ ২–৩৩)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০৪/৮ (পাওয়েল ৪৫, শেফার্ড ৩৪, স্যান্টনার ৩–৩১, সোধি ৩–৩৯)।

ফল: নিউজিল্যান্ড ৩ রানে জয়ী, সিরিজ: ১-১। ম্যাচ সেরা: মার্ক চ্যাপম্যান