ফয়সালাবাদের ধীরগতির ও নিচু বাউন্সের উইকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারদের নাচিয়ে ছাড়লো পাকিস্তানের স্পিনাররা। লেগস্পিনার আবরার আহমেদ নিয়েছেন ক্যারিয়ারসেরা ৪ উইকেট মাত্র ২৭ রানে। তাঁকে দারুণ সহায়তা করেছেন আরেক স্পিনার সালমান আগা (২/১৮) ও মোহাম্মদ নওয়াজ (২/৩১)। তাদের সম্মিলিত চেস্টায় সিরিজের নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে প্রোটিয়ারা গুটিয়ে যায় মাত্র ১৪৩ রানে।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা ছিল আশাব্যঞ্জক। ওপেনার কুইন্টন ডি কক ও লুয়ান্দ্রে প্রিটোরিয়াস ১৪ ওভারেই ৭২ রানের জুটি গড়ে দলের ভিত মজবুত করেন। কিন্তু প্রিটোরিয়াস (৩৯) আউট হওয়ার পরই যেন ভেঙে পড়ে পুরো ব্যাটিং লাইনআপ। পরবর্তী আট উইকেটে যোগ হয় মাত্র ৩৭ রান!
ডি কক যদিও নিজের ইনিংসে স্পর্শ করেছেন এক বড় মাইলফলক—ওয়ানডেতে ৭০০০ রান পূর্ণ করেছেন তিনি। হাশিম আমলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে (১৫৮ ইনিংসে) এই কীর্তি গড়েন। তবে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর মোহাম্মদ নওয়াজের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন এই অভিজ্ঞ ওপেনার।
এরপর আবরারের ঘূর্ণিতে দিশেহারা হয়ে পড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার মিডল অর্ডার। তাঁর গুগলিতে বলের পথ বুঝতেই পারেননি রুবিন হারমান, বল খুঁজে পাননি ডোনোভান ফেরেইরা, আর করবিন বশ তো মুখোমুখিই হতে পারেননি, প্রথম বলেই বোল্ড! অধিনায়ক ম্যাথিউ ব্রিটস্কে-ও শেষ পর্যন্ত আবরাএর শিকার হন।
শাহিন আফ্রিদি শেষ ওভারে টানা দুই বলে দুটি উইকেট নিয়ে প্রোটিয়াদের ইনিংস গুটিয়ে দেন ৩৭.৫ ওভারে।