এনএফএল ম্যাচে উপস্থিত হয়ে দর্শকদের কাছ থেকে উচ্ছ্বাস নয়, বরং প্রবল দুয়ো শুনতে হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।
রবিবার ওয়াশিংটনের নর্থওয়েস্ট স্টেডিয়ামে ওয়াশিংটন কমান্ডার্স ও ডেট্রয়েট লায়নসের মধ্যকার ম্যাচে উপস্থিত হন ট্রাম্প। ১৯৭৮ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিয়মিত মৌসুমের এনএফএল ম্যাচে দেখতে গেলেন। ম্যাচ চলাকালে যখন জায়ান্ট স্ক্রিনে ট্রাম্পের ছবি ভেসে ওঠে, তখনই গ্যালারিতে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র দুয়োর স্রোত।
স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ট্রাম্পকে স্ক্রিনে দেখানোর সঙ্গে সঙ্গেই দর্শকদের অনেকেই প্রবলভাবে দুয়ো দিচ্ছেন। দর্শকদের প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হয় যখন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে মঞ্চে উঠে ট্রাম্প নতুন সৈনিকদের শপথ বাক্য পাঠ করান।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ওয়াশিংটন কমান্ডার্সের নতুন স্টেডিয়ামের নাম তাঁর নামে রাখা হোক। ইএসপিএনের এক সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে হোয়াইট হাউস ও ক্লাব কর্তৃপক্ষের মধ্যে এ বিষয়ে পর্দার আড়ালে আলোচনা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট গত সপ্তাহে বলেছিলেন, “স্টেডিয়ামের নাম যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নামে রাখা হয়, সেটা হবে যথাযথ। কারণ নতুন স্টেডিয়াম পুনর্নির্মাণের কাজ সম্ভব হয়েছে তাঁর উদ্যোগে।”
ট্রাম্প ম্যাচ চলাকালীন ফক্স স্পোর্টসের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমি খেলাধুলা ভালোবাসি, এটা জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। জীবনে যেমন বাধা পেরোতে হয় সাফল্যে পৌঁছানোর আগে, খেলায়ও তাই।”
ম্যাচ শেষে হ্যারিস তাঁকে উপহার দেন ৪৭ নম্বর লেখা একটি কমান্ডার্স জার্সি, যা অনেকেই তাঁর সম্ভাব্য দ্বিতীয় মেয়াদের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
তবে মাঠের লড়াইয়ে দিনটা ট্রাম্পের পক্ষে ছিল না। ওয়াশিংটন কমান্ডার্স ম্যাচটি হারে ডেট্রয়েট লায়নসের কাছে ২২-৪৪ ব্যবধানে।
ট্রাম্প এর আগেও একাধিক খেলায় দর্শকদের দুয়ো শুনেছেন—এ বছরের ইউএস ওপেন ফাইনাল, নিউইয়র্ক ইয়াঙ্কিসের ম্যাচ এবং জুলাইয়ে ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালসহ বিভিন্ন ইভেন্টে।