স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় নাটোরের মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদকে একটি ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- ও আরেক ধারায় ১৪ বছরের কারাদ-ের আদেশ দিয়েছে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। রায় ঘোষণার সময় দ-প্রাপ্ত ফিরোজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মহিদুজ্জামান মুহিত এ রায় ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত ফিরোজ আহমেদ (৪৮) নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার গোলাম মোস্তফার ছেলে। এ ছাড়াও তিনি একই উপজেলার নাজিরপুর মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। রাজশাহী দ্রুত বিচার আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মুন্সি আবুল কালাম আজাদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ এক শিক্ষার্থীকে প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ২০২২ সালের ১ অক্টোবর সকালে ওই শিক্ষার্থী ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে গেলে তিনি স্কুলের মূল ফটকের সামনে থেকে ডেকে নিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে অপহরণ করেন।

তিনি আরও বলেন, পরে পথচারীরা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে শিক্ষার্থীর পরিবারকে জানালে তারা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের পর ফিরোজ আহমেদসহ তার দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

এদিকে বগুড়ায় ব্যবসায়ী ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী তোজাম্মেল হক (৪৫) হত্যার ঘটনায় আট বছর পর তিনজনের মৃত্যুদ- ও তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জেলার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শাজাহান কবির এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. বাবুল প্রামাণিক, মো. মনিরুজ্জামান এবং মো. মানিক। এ হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন দেলোয়ার হোসেন দুলু, পিন্টু ওরফে মাজেদুর রহমান এবং আশিক হাসান ওরফে আশিক।