ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ও ভোটের তারিখ দ্রুত স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। একই সঙ্গে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে নিরাপত্তা জোরদার, কালো টাকার প্রভাব রোধ ও প্রার্থীদের জামানতের অর্থ ও ব্যয় কমানোর দাবি তুলেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই নির্বাচনী আচরণবিধি জারি ও আরপিও সংশোধনের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সমালোচনাও করেন তারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে এসব দাবি ও সমালোচনা উঠে আসে। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন। এ সময় অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। সংলাপ কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। সংলাপের প্রথম পর্বে অংশ নেয় ১২টি রাজনৈতিক দল।
সকালের বৈঠকে অংশ নিয়ে আলোচনা করে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি), বাংলাদেশ কংগ্রেস, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।
বিকেলের বৈঠকে আলোচনা করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তার সূচনা বক্তব্যে বলেন, এই আলোচনাটি আমরা অনেক আগে থেকেই করার পরিকল্পনা করেছিলাম। দেখা গেছে, রাজনৈতিক নেতারা বর্তমানে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট এবং অন্যান্য সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। এসব আলোচনায় বেশ কিছু সুপারিশের মধ্যে অনেক বিষয়ের সঙ্গে আমরা একমত হয়েছি। আবার কিছু বিষয়ে মন্তব্য দিয়েছি যে সেগুলোর জন্য রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন। যেহেতু ঐকমত্য কমিশন সরকারের একটি কমিশন, যা প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা একই সময় একই ব্যক্তিদের সঙ্গে সমান্তরাল আরেকটি আলোচনা চালাতে পারি না। একই রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে দুটি ভিন্নমুখী আলোচনা চালালে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারত। এ কারণেই আমাদের সংলাপটি কিছুটা দেরিতে শুরু হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনে খেলবেন আপনারা। আমরা রেফারির ভূমিকায় নিরপেক্ষ থাকতে চাই। সহযোগিতা ছাড়া খেলাটা পরিচালনা করা মুশকিল। বৈঠকে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য বদ্ধপরিকর। তবে এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের দিন ও পরে এই তিনটি পর্যায়েই রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা লাগবে।
সিইসি বলেন, এখন আমরা লক্ষ্য করছি অনেক জায়গায় পোস্টার টানানো হচ্ছে। অথচ আমরা পোস্টার টানানো নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছি এবং সেটি গণমাধ্যমেও জানিয়ে দিয়েছি। যদিও আচরণবিধি তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবু আমরা অনুরোধ করছি যারা পোস্টার লাগিয়েছেন, নিজেরাই তা সরিয়ে ফেলুন। এটা হবে ভদ্র আচরণের পরিচয়। আজ আচরণবিধি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়েছে। সুতরাং অনুগ্রহ করে সবাই আচরণবিধি অনুযায়ী চলুন। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটান, তাহলে আমরা কঠোর পদক্ষেপ নেব। আমরা কোনো পক্ষপাত করব না বরং নিয়ম ভঙ্গের ঘটনা ঘটলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোটের দিন গণভোটের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়গুলো জানলে তখন আমরা বিচার-বিশ্লেষণ করে কমিশনে বসে আলাপ-আলোচনা করে একটা মতামত দিতে পারব। এ বিষয়ে এ মুহূর্তে কোনো মতামত দেওয়া যথার্থ হবে না।
নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির আলোচনায় দলের পক্ষ থেকে আরপিও সংশোধনের পুনর্বিবেচনা, জামানত ও ব্যয়সীমা কমানো, ‘না ভোট’ সব আসনে প্রযোজ্য করা, অভিযুক্ত ব্যক্তির প্রার্থিতা অযোগ্য ঘোষণার বিধান বাতিল, যুদ্ধাপরাধী ও সাম্প্রদায়িক ব্যক্তিদের অযোগ্য ঘোষণা, প্রবাসীদের ভোটাধিকার ও পোস্টাল ব্যালটের প্রশংসা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
সংলাপে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ক্বাফি রতন বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করা। এজন্য কালো টাকার প্রভাব, পেশিশক্তির ব্যবহার, ধর্মের অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক কারসাজি বন্ধ করা জরুরি। ভোটগ্রহণ আরও নিরপেক্ষ হয়, সেজন্য একই উপজেলার শিক্ষকদের নিজ উপজেলায় দায়িত্ব না দিয়ে অন্য উপজেলায় দায়িত্ব দেওয়া উচিত। এতে নির্বাচন আরও সুষ্ঠু ও ন্যায্য হবে বলে আমরা মনে করি।
ভোটের তারিখ স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনারের প্রতি অনুরোধ, আপনি অন্তত জানিয়ে দিন নির্বাচনের তফসিল কোন সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। নির্দিষ্ট তারিখ না বললেও সপ্তাহটি উল্লেখ করলে জনগণের অনিশ্চয়তা দূর হবে এবং আস্থা ফিরে আসবে। আমরা বিশ্বাস করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই, রোজার আগেই, অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন হবে এমন একটি বার্তা জনগণ পেতে চায়।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব বলেছেন, স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচন পরিচালনায় প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রশাসন থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে সেটি কার্যকরভাবে দেখা যায় না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন মাঠে দেখা যায় প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা নানা হয়রানির মুখে পড়েন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভেতরেও অনেক সময় সমন্বয়ের অভাব থাকে। এতে ভোটার ও প্রার্থীরা উভয়েই বিপাকে পড়েন। নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই মাঠপর্যায়ের এই সমন্বয়হীনতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি দূর করতে হবে।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, আরপিও সংশোধন ও আচরণবিধিমালার প্রজ্ঞাপন জারির আগে কেন আলোচনা ও মতামত নেওয়া হলো নাএ প্রশ্নের উত্তরটা আবশ্যক।
তিনি বলেন, আমরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করছি, এবারও আরপিওর যে সংশোধন করা হয়েছে সেখানে নাগরিকরা শুধু ভোট দিতে পারবে কিন্তু প্রার্থী হতে পারবে না। এরকম আর্থিক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। যেমন জামানতের টাকা ২০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা হয়েছে। নির্বাচনী ব্যয়সীমা ভোটার প্রতি ১০ টাকা করে অর্থাৎ ৫০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত জাতীয় সংসদকে অতীতের মতোই কোটিপতিদের ক্লাবে পরিণত করবে।
তিনি বলেন, আরপিওতে না ভোটের বিধান শুধু একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে রাখা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কোনো ভোটারের যদি তিনজন বা পাঁচজন প্রার্থীর কাউকেই পছন্দ না হয় তাহলে কি সে মনের বিরুদ্ধে কাউকে বেছে নেবে? তাই না ভোটের বিধান সব আসনেই রাখার দাবি আমরা করছি।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, আমাদের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব হলো আপনারা কবে তফসিল ঘোষণা করবেন, সেটা নির্দিষ্ট করে তারিখ ঘোষণা করুন। যেমন আজ আইসিটি ট্রাইব্যুনালে একটি রায়ের তারিখ ঘোষণা হয়েছে, তেমনি নির্বাচন কমিশনও যদি তফসিল ঘোষণার তারিখ জানায়, তাহলে জনগণ আশ্বস্ত হবে। এখন মাত্র আড়াই-তিন মাস বাকি আছে, কিন্তু আজও আমরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারছি না ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবেই। এই বিশ্বাস ও আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব।
তিনি বলেন, আমরা আরও বলেছি রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের নিয়োগে কেবল প্রশাসন ক্যাডার থেকে নির্বাচন না করে, নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব জনবল বা অন্যান্য যোগ্য ক্যাডার থেকেও কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হোক। একইভাবে, পোলিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসারদের নিয়োগেও সতর্ক থাকতে হবে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশ্ন বা বিতর্ক আছে, সেখান থেকে কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া উচিত হবে না।
সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিতের আহ্বান ন্যাশনাল পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এ ওয়াই এম কামরুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই নির্বাচন যেন সত্যিকারের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সুযোগ হয়ে ওঠে, সে জন্য নির্বাচন কমিশনসহ সব রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, এই নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের ছিল না। কিন্তু অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে এটি হতে যাচ্ছে। তাই সব দল, মত ও নির্বাচন কমিশন যদি দায়িত্বশীল আচরণ করে, তবে এই নির্বাচন আমাদের গণতান্ত্রিক আচরণ পরিবর্তনের বড় সুযোগ এনে দেবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম)-এর মুখপাত্র প্রিন্সিপাল এম.আর. করিম নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বর্তমানে রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে সিøপ বিতরণে ভোটারদের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে। ভোটাররা কেন্দ্রে যাওয়ার আগেই বুঝে ফেলছে তারা কাকে ভোট দেবে। কারণ সিøপে দলের প্রতীক বা মার্কা লেখা থাকে। এতে সামাজিকভাবে চাপ তৈরি হয় এবং ভোটারের স্বাধীনতা ক্ষুণœ হয়। তাই ভোটার সিøপ যেন সরকারিভাবে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন জামানতের টাকা ৫০ হাজার করা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এটা বুর্জোয়া দলের পক্ষে সম্ভব হলেও তাদের মতো দলের পক্ষে কঠিন। তিনি জামানত ২০ হাজার টাকা রাখার দাবি করেন।
বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কাজী রেজাউল হোসেন বলেন, বড় দলগুলো নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং মহড়া চলছে। ইসি এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী বলেন, এই কমিশনের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। তিনি ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না করে নতুন ইতিহাস তৈরির প্রত্যাশা জানান এবং জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোটের মতো আরেকটি নির্বাচন চাপিয়ে দিলে তা কমিশনের জন্য কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেন।
সংলাপে যে বার্তা দিলেন কমিশনাররা
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীদের জন্য পৃথক ভোটার তালিকা করা হবে। তারা ১৮ নভেম্বর থেকে অ্যাপে (পোস্টাল ভোট বিডি) নিবন্ধন করবেন। তবে দেশের ভেতর থেকে যারা এখন আবেদন করছেন তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকায় যুক্ত হতে পারবেন না। কেননা, এটার সময় অক্টোবরে শেষ হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার বেগম তাহমিদ আহমেদ বলেন, ভোটার তালিকায় নারী-পুরুষ ফিফটি ফিফটি। মানে ভোটের মাঠে নারী-পুরুষ সবাই যেন সমান সুযোগ পায়। অস্বীকার করার উপায় নেই আমাদের যে সমাজ, সেটা পুরুষপ্রধান সমাজ। এটা মেনে নিতেই হবে। কাজেই আমাদের পুরুষরা যদি নারীদের সহযোগিতা না করি তাহলে কিন্তু তারা অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো আস্থাহীনতা। এটা অস্বীকার করার জো নেই। এই আস্থাটাকে পুনরুদ্ধার করার জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং যাব। তবে রাজনৈতিক দলের নেতাদের সহযোগিতা ছাড়া নির্বাচন কমিশনের পাঁচজনের পক্ষে ভালো নির্বাচন দেওয়া সম্ভব না।