স্মরণিকা উন্মোচন

ডুয়েট ছাত্রদলের সাবেকদের মিলনমেলা

দিনভর আনন্দ-উল্লাস, আলোচনা, স্মরণিকা উন্মোচন, স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো ডুয়েট প্রাক্তন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অ্যাসোসিয়েশন 'ডেজা'র পুনর্মিলনী।
গত শুক্রবার ঢাকার পূর্বাচলে অবস্থিত সি শেল রিসোর্ট অ্যান্ড পার্কে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) সাবেক ছাত্রদলের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত এই মিলনমেলা হয়ে উঠে প্রাক্তনদের মধ্যে সম্প্রীতি, ঐক্য এবং জাতীয়তাবাদী চেতনার পুনর্মিলনের এক মহামঞ্চ।
১৭ বছরের সংগ্রাম পেরিয়ে দৃঢ় ঐক্যের নতুন প্রত্যয় স্লোগানে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডেজার সভাপতি প্রকৌশলী রুহুল আলম। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী কেএম আসাদুজ্জামান চুন্নুর প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন আইইবির সহসভাপতি প্রকৌশলী খান মঞ্জুর মোর্শেদ, এ্যাবের সাবেক মহাসচিব প্রকৌশলী আলমগীর হাসিন আহমেদ, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন তালুকদার, সহসভাপতি প্রকৌশলী এ টি এম তানভীরুল হাসান তমাল, ডেজার উপদেষ্টা প্রকৌশলী আব্দুর এ কে এম এম জহিরুল ইসলাম, নাজমুল হুদা খন্দকার, নিয়াজ উদ্দিন ভূঁইয়া সহসভাপতি, মনিরুজ্জামান নয়ন প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ডেজার সদস্যরা দেশের প্রকৌশল খাতে, সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ও জাতীয় ভাবনায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছেন। নতুন প্রজন্মের কাছে ডেজা এখন আদর্শ, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতীয়মান। সংগঠনের এই অগ্রযাত্রাকে আরও সুসংগঠিত ও ফলপ্রসূ করতে ঐক্য, শৃঙ্খলা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে 'দ্রোহ থেকে দীপ্তিতে' শীর্ষক স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। স্মরণিকায় ডুয়েট জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আন্দোলন-সংগ্রামের -সংগ্রামের ধারাবাহিকতা, সংগঠনের প্রতিষ্ঠালগ্নের ঘটনাপ্রবাহ, বিভিন্ন সময়কার গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব, স্মৃতিচারণমূলক লেখা এবং সংগঠনের উন্নয়নযাত্রা সমৃদ্ধভাবে স্থান পেয়েছে। শেষাংশে আয়োজিত রাফেল ড্রতে মোটরসাইকেলসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শ, সংগঠনের অস্তিত্ব রক্ষা, সাংগঠনিক চর্চা ও প্রাত্তন নেতাদের বন্ধন সুদৃঢ় করার যে নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চলমান ছিল, তারই সফল পরিণতির প্রতিচ্ছবি বহন করে এই আয়োজন।
গাজীপুরের ডুয়েট ক্যাম্পাসের প্রাক্তন ছাত্রনেতা, কর্মী ও প্রকৌশলীদের নিয়ে গঠিত 'ডেজা' দীর্ঘকাল ধরে প্রাক্তন এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে।