ভারতের সংগে সেমিফাইনাল সুপার ওভারে জিতেছিল বাংলাদেশ 'এ'। দুদিনের ব্যবধানে পাকিস্তানের সংগে ফাইনালও সুপার ওভারে গড়িয়েছিল। কিন্তু নির্বুদ্ধিতায় এবার আর জিততে পারলো না। ৬ রান করেছিল বাংলাদেশ 'এ'। পাকিস্তান সহজেই তা তুলে নিয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্সের শিরোপা জিতে নিয়েছে।
তৃতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলো পাকিস্তান শাহিনস। আর বাংলাদেশ ২০১৯ এর মতো পাকিস্তানের কাছে হেরেই হলো রানার্সআপ।
২০ ওভারে জয়ের জন্য ১২৬ রানের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু ৫৩ রানেই ৭ উইকেট, ৯৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে আকবররা। কাতারের দোহায় এরপর অবিশ্বাস্যকিছুই করলেন রিপন মণ্ডল। পাকিস্তান শাহিনসের ইনিংসে বল হাতে ৩ উইকেট নেওয়া পেসার ব্যাট হাতেও খেললেন ১১ রানের ইনিংস। আরেক পেসার আবদুল গাফফারও (১৬*) সাহায্যের হাত বাড়ালেন। ১৯তম ওভারে ২০ রান তুললেও অবশ্য শেষ ওভারে ৭ রানের সমীকরণ মেলাতে পারেননি তাঁরা। তবে শেষ বলে ১ রান নিয়ে ম্যাচটা টাই করে সুপার ওভারে নিয়ে গেছেন ফাইনালটাকে।
কিন্তু সুপার ওভারের প্রথম বলে হাবিবুর রহমান ১ রান নেন। দ্বিতীয় বলে আবদুল গাফফার ফিরতি ক্যাচ দেন পাকিস্তানি পেসার আহমেদ দানিয়ালকে। পরের বলে ওয়াইড থেকে আসে ৫ রান। বাকি ৪ বলে আউট না হওয়ার কৌশল নিয়ে খেলতে হতো। তাতে যতো রান আসতো তাতে টার্গেটটা ভালো হতো পারতো। কিন্তু তৃতীয় বলে জিশান আলম ছক্কা হাকানোর তাড়নায় বোল্ড হয়ে যান। তিনটা বল অব্যবহৃতই থেকে যায়।
দোহার সন্ধায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান শাহীনস। ২৫ রানে তিন উইকেট হারানো দলটি শেষ পর্যন্ত থামে ১২৫ রানে। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ বলে ৩৮ রান করেন সাত নম্বরে নামা সাদ মাসুদ। ২৩ বলে ২৫ রান করেন আরাফাত মিনহাস।
পাকিস্তানের ইনিংসের ১৯তম ওভারে তিন ব্যাটারকে ফেরান রিপন মণ্ডল। মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিলই। মজার বিষয়—পাকিস্তানের ইনিংস শুরু হয়েছিল রান আউট দিয়ে, শেষটাও হয় রান আউটেই।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে রিপন মণ্ডল ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল হাসান নিয়েছেন ২ উইকেট।