নাটোরের বড়াইগ্রামে তারুণ্যের উৎসব উদযাপনের অংশ হিসেবে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ডালিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মলয় কুমার কুন্ডু, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন ও খাদ্য নিয়ন্ত্রক ডালিম কাজীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা।
পিঠা উৎসবে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুধীজন অংশ নেন।
পিঠা উৎসবে আটটি স্টলে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের তৈরি দুধ পুলি, তক্তি, নকশি পিঠা, পাতা পিঠা, ফুল পিঠা, পাটি সাপটা, দুধ চিতই, চন্দনকুলি, চৈ পাকান, চিতই, ভাপা, তাল পিঠা, নারকেলের চিড়া, রসপান, হৃদয়হরন, গোকুল পিঠা, দুধ সুন্দরী, ভ্যানিলা কেকসহ প্রায় অর্ধ শতাধিক প্রকার রসালো ও মুখরোচক পিঠা উপস্থাপন করেন।
ভোজনরসিকরাও এসব পিঠা খেয়ে নানা প্রশংসা করেন। তারা বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং পিঠার স্বাদ নেন। একই সঙ্গে তারা সন্তানদের উৎসবে নিয়ে এসে বাহারি স্বাদ উপভোগের পাশাপাশি হরেক রকম পিঠার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।
ইউএনও লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, "গ্রামগঞ্জে বিশেষ করে শীতকালে প্রতিটি বাড়িতে নানা ধরণের পিঠাপুলি তৈরি হয়। বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যে পিঠা-পুলি দীর্ঘকাল ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ব্যস্ততার ভীড়ে আমাদের সারা বছর অনেক সময় কাটে। তাই প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যে মানসিক প্রশান্তি এবং লোকজ ও নান্দনিক সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ হিসাবেই এ পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।"