ব্রাজিলিয়ান তরুণ প্রমাণ করলেন- কেন তাকে ‘মেসিনিও’ ডাকা হয়

বার্সেলোনাকে হারিয়ে দেওয়ার ম্যাচে তুমুল আলোচনায় উঠে এসেছেন চেলসির নবীন ব্রাজিলিয়ান তারকা এস্তেভাও। চেলসির ৩–০ গোলের জয়ে সব আলো নিজের দিকে টেনে নেন ১৮ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ান তরুণ। ৫৫ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে মনে করিয়ে দিয়েছেন কেন তাকে লিওনেল মেসির সঙ্গে তুলনা করে ‘মেসিনিও’ নামে ডাকা হয়।

প্রথমার্ধেই বার্সার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। বিরতির পর ৫৫ মিনিটে চেলসির দলীয় সমন্বয়ে দৃষ্টিনন্দন পাসিং থেকে আক্রমণ শুরু হয়। সে ধারাবাহিকতায় ডান প্রান্তে বল পান এস্তেভাও। দ্রুতগতিতে বক্সের ভেতর ঢুকে ডিফেন্ডার পাও কুবারসিকে নাকাল করে এগিয়ে যান। এরপর দারুণ ড্রিবলিংয়ে ছুটে আসা আরেক ডিফেন্ডার আলেহান্দ্রো বালদেকে কাটিয়ে দুর্দান্ত এক শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। দর্শকরা দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানান।

চেলসি–বার্সেলোনা ম্যাচটিকে বলা হচ্ছিল দুই কিশোর সুপারস্টারের লড়াই। চেলসির এস্তেভাঁও উইলিয়ান বনাম বার্সার লামিনে ইয়ামাল। কিন্তু স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে আলো ছড়ালেন শুধু এস্তেভাও। তিনি এস্তেভাঁও যা করলেন, তা ছিল নিখাদ শিল্প। বিপরীতে নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন স্প্যানিশ তারকা ইয়ামাল। ম্যাচ শেষে এস্তেভাও বলেন, ‘ক্যারিয়ারের সেরা রাত। সবকিছু এত দ্রুত ঘটল যে বিশ্বাসই করতে পারছি না। আরও অনেক গোল করতে চাই।’

মলিন পারফর্মেন্সে ইয়ামালকে দুয়ো শুনতে হয়েছে। ৮০ মিনিটে তাকে তুলে নিতে বাধ্য হন বার্সা কোচ। অন্যদিকে এস্তেভাও মাঠ ছাড়েন প্রবল করতালির মাঝে। এস্তেভাঁও চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা প্রথম তিন ম্যাচে প্রথম একাদশে নেমে প্রতিবারই গোল করে ইতিহাস গড়েছেন। এর আগে এই কীর্তি ছিল কেবল কিলিয়ান এমবাপে ও আরলিং হালান্ডের। চেলসির সাবেক তারকা প্যাট নেভিন বলেছেন, ‘হাইপে বিশ্বাস করতে শুরু করুন। শুধু গোলটাই নয়, এস্তেভাওয়ের ফুটওয়ার্ক, বুদ্ধিমত্তা, মুভমেন্ট দেখে মনে হয় যেন ফুটবল তার জন্য সহজ।‘