গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, এই সরকারের কাজ ছিল সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেয়া। কিন্তু এই সরকার বিদেশিদের খুশি করতে বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশিদের হাতে তুলে দিচ্ছে। এটা জনগণ মেনে নেবে না। চাঁদাবাজির দোহাই দিয়ে বিদেশিদের হাতে বন্দর দেয়া যাবে না।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার জোড়াদহ বাজারে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টাদের সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, এই সরকারের উপদেষ্টারা কি কমিশন বাণিজ্য করছে না? তারা কি দুর্নীতি করছে না? তারাও তলে তলে সব করছে। আমরা নানা ভাবে উপদেষ্টাদের কমিশন বাণিজ্যের খবর পাচ্ছি। আগামীতে যে সরকারই আসুক, এই উপদেষ্টাদের দুর্নীতির তদন্ত হবে।
এ সময় তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, গত ১৬ বছরে উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে। আগামীতে যে দলই সরকার গঠন করুক, লুটপাট ও দুর্নীতির সুযোগ দেয়া হবে না।
রাশেদ খাঁন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া আজ অসুস্থ। সারা দেশের মানুষ খালেদা জিয়ার জন্য কাঁদছে। কিন্তু ফ্যাসিস্ট হাসিনা আজ পালিয়ে গেছে। তার জন্য দোয়া করা তো দূরে থাক, হাসিনার নাম নেয়ার মানুষ দেশে নেই।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের প্রতীক। গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রসেনানী।
এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় জেলা গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে হরিণাকুণ্ডু উপজেলার জোড়াদহ বাজারে গণসংযোগ করেন রাশেদ খান। এ সময় দলটির জেলা সভাপতি প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল রাজন, যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিশন আলী, পেশাজীবী অধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি রাসেল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।