বেপজায় আগ্রহী নয় ট্যানারি মালিক-শ্রমিক

দেশের ট্যানারি শিল্প বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীনে নেওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। গত রবিবার রাতে রাজধানীতে অংশীজনদের এক সভায় তারা এ আপত্তির কথা জানান। মালিকরা বলছেন, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) আওতায় ট্যানারি শিল্প কারখানার জমি ৯৯ বছরের জন্য লিজ পেত। বেপজার আওতায় গেলে তা ৩০ বছরের ভাড়া চুক্তি করতে হবে। যে কারণে মালিকরা বেপজার অধীনে যেতে আগ্রহী নয়। অপরদিকে শ্রমিক নেতারা বলছেন, বেপজার অধীনে গেলে শ্রমিক সংগঠনের অধিকার হারানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বেপজার আওতায় ট্যানারি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির নিশ্চয়তা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে লেদার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এলডিপি) কো-অর্ডিনেটর ফিরোজ আলম স্বাগত বক্তব্য রাখেন। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এলডিপি প্রজেক্টের কোঅর্ডিনেশন টিমের সদস্য তাহেরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ট্যানারস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সাখাওয়াত উল্লাহসহ ট্যানারি শিল্পের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। বক্তরা আরও বলেন, হাজারীবাগ থেকে ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প স্থানান্তরের ফলে অসংখ্য শ্রমিক তাদের কর্মসংস্থান হারিয়েছেন। ২ ডলারের চামড়া এখন ৮০ সেন্টে বিক্রি করি। নতুন করে সাভারের ট্যানারি এক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আরেক কর্তৃপক্ষের হাতে গেলে আগের অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে।