টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে খুব পরিচিত নাম নন আলী দাউদ। কিন্তু ভুটান সফরে এক ম্যাচেই তিনি নিজের নাম তুলেছেন বিরল এক তালিকায়। ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে বাহরাইনের এই পেসার জায়গা করে নিয়েছেন টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সেরা বোলিং পারফরম্যান্সের মধ্যে।
জেলেফু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় দাউদ ৪ ওভারে ১৯ রানে শিকার করেন ৭ উইকেট। স্কোরকার্ডে চোখ রাখলে তাঁর পারফরম্যান্স চোখে পড়ে তাসকিন আহমেদের ২০২৫ বিপিএলের সেই বিখ্যাত ৭ উইকেটের সঙ্গে হুবহু মিল রেখেই।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত মাত্র চারজন বোলার ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়েছেন। তালিকায় আছেন মালয়েশিয়ার সৈয়াজরুল ইদ্রিস, নেদারল্যান্ডসের কলিন অ্যাকারমান, বাংলাদেশের তাসকিন আহমেদ ও সর্বশেষ বাহরাইনের আলী দাউদ। বিশেষ দিক হলো, তাসকিন ও দাউদের বোলিং ফিগারই একদম একই: ৪-০-১৯-৭।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ৭ উইকেট পাওয়া বোলার ইদ্রিস ২০২৩ সালে চীনের বিপক্ষে ৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন, সঙ্গে ছিল একটি মেডেন ওভার। সেই রেকর্ডের পর দ্বিতীয় বোলার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইনিংসে ৭ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন দাউদ। তাঁর ৭ শিকারের মধ্যে তৃতীয় ওভারে ২টি, ১৬তম ওভারে ৩টি এবং ১৮তম ওভারে ২টি উইকেট আসে।
দাউদের দুরন্ত বোলিংয়ের ওপর ভর করে বাহরাইন ম্যাচ জেতে ৩৫ রানে। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে তারা তোলে ৪ উইকেটে ১৬০ রান। জবাবে ভুটান পুরো ২০ ওভার খেললেও ৯ উইকেটে ১২৫ রানের বেশি যেতে পারেনি। ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন দাউদ।
একই মাঠে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও জয় পেয়েছে বাহরাইন, ব্যবধান এবার ৪২ রান। দাউদ সেখানে নিয়েছেন ১ উইকেট।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ইনিংসে ৭ উইকেট ক্লাবের বাকি সদস্য কলিন অ্যাকারমান ২০১৯ সালের ভাইটালিটি ব্লাস্টে লেস্টারশায়ারের হয়ে বার্মিংহামের বিপক্ষে ১৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ইনিংসে সেরা বোলিং
| বোলার | দল | বোলিং | প্রতিপক্ষ | সাল |
|---|---|---|---|---|
| সৈয়াজরুল ইদ্রিস | মালয়েশিয়া | ৭/৮ | চীন | ২০২৩ |
| আলী দাউদ | বাহরাইন | ৭/১৯ | ভুটান | ২০২৫ |
| হর্ষ ভারতদ্বাজ | সিঙ্গাপুর | ৬/৩ | মঙ্গোলিয়া | ২০২৪ |
| পিটার আহো | নাইজেরিয়া | ৬/৫ | সিয়েরা লিওন | ২০২১ |
| দীপক চাহার | ভারত | ৬/৭ | বাংলাদেশ | ২০১৯ |
>