পাবনার ঈশ্বরদীতে মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে ঈশ্বরদী-লালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের স্কুলপাড়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। একইদিন বগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের সাঁড়া ঝাউদিয়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. শাকিব হোসেন (২২) এবং পিয়ারপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী শিরিনা বেগম (৪৫)। সম্পর্কে তারা খালা ও ভাগ্নে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, লালপুর থেকে ঈশ্বরদী অভিমুখী একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের সঙ্গে স্কুলপাড়া এলাকায় লালপুর অভিমুখী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী শাকিব হোসেন ও শিরিনা বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার দুপুর সোয়া ২টার দিকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার মহিপুর এলাকায় দুর্ঘটনায় রাফিউল হাসান (২৩) নামে তরুণ নিহত হয়েছেন। তিনি শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শেরপুর বাসস্ট্যান্ড শাহি জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন রাফিউল। মিছিল শেষে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে মহিপুর এলাকায় একটি বাস তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে রাফিউল ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।