নাটোরের বড়াইগ্রামে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগে এক দম্পতির বিরুদ্ধে থানায় আলাদাভাবে দুটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম।
তিনি জানান, বছরখানেক আগে উপজেলার চ-িপুর গ্রামের আলেপ মাঝির ছেলে আশরাফুল ইসলাম বিয়ে করেন। তখন কনে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়ায় বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়নি। এ খবর পেয়ে কথিত সাংবাদিক রাসেল হোসেন ও তার স্ত্রী রিক্তা বেগম ওই বাড়িতে যান। পরে আশরাফুল ইসলামের বিয়ে বৈধ হয়নি জানিয়ে তাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। অন্যথায় প্রশাসনের কাছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার হুমকি দেন। বাধ্য হয়ে আলেপ মাঝির স্ত্রী তাদের ১৫ হাজার টাকা দেন। কিন্তু পরে তারা অবশিষ্ট টাকার জন্য একাধিকবার ওই বাড়িতে গিয়ে চাপ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার সন্ধ্যায় তারা পুনরায় সেখানে গিয়ে সাংবাদিক পরিচয়ে টাকা দাবি করলে স্থানীয়রা তাদের আটক করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মী সাহাবুল তথ্য সংগ্রহে সেখানে গেলে অভিযুক্তরা তাকে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। এরপর ছাড়া পেয়ে একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দিঘলকান্দি বাজারে সাহাবুলকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন তারা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত রাসেল হোসেন বলেন, ‘চাঁদা দাবি বা টাকা নেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। আর আমরা সাহাবুলকে মারধর করিনি, বরং সেই আমাদের ওপর হামলা করেছে।’