২০২৬ সালে ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতি, বৃদ্ধি পাচ্ছে সমালোচনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৬ সালে তার অভিবাসন সংক্রান্ত কঠোর নীতি আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা করছেন। এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে নতুন বিলিয়ন ডলারের বাজেট, আরও কর্মক্ষেত্রে অভিযান, হাজার হাজার নতুন আইসিই ও বর্ডার প্যাট্রোল এজেন্ট নিয়োগ, নতুন আটককেন্দ্র খোলা এবং অভিবাসী কর্মীদের উপর কড়া নজরদারি। এই পদক্ষেপ আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক সমালোচনার মুখে পড়লেও তা কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। 

ট্রম্প শপথগ্রহণের পর থেকে ৬ লাখ ২২ হাজারের বেশি অভিবাসীকে নির্বাসিত করেছেন। এছাড়া শত শত  হাইতি, ভেনেজুয়েলা ও আফগান নাগরিকদের অস্থায়ী বৈধ অবস্থান বাতিল করেছেন। তিনি প্রতি বছর ১ মিলিয়ন অভিবাসীকে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মায়ামিসহ বড় বড় শহরে চলা ফেডারেল রেইডে প্রতিবাদ, মামলা ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। 
 
প্রশাসন এই পদক্ষেপগুলোকে অপরাধী শোধন ও সীমান্ত সুরক্ষার কার্যক্রম হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও, তথ্য দেখায় যে আটককৃতদের মধ্যে অনেকের কোনও অপরাধমূলক রেকর্ড নেই, শুধু অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের জন্য আটক করা হয়েছে। সমালোচকরা বলছেন, এই নীতি নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করছে এবং শহরগুলোতে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। জনমতের উদ্বেগ বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ও কর্মক্ষেত্রে অভিযান নিয়ে চিন্তিত, ফলে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের সম্প্রসারিত অভিযানকে রাজনৈতিক ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হতে পারে।