নাটোরের বড়াইগ্রামে ফেসবুক লাইভ করাকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) নামে এক জামায়াত নেতাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে জাহাঙ্গীর আলম ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোনাইল ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর হাফেজ মাহবুবুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ইউনিয়ন সেক্রেটারি আজমত আলী, ভুক্তভোগী শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জোনাইল ইউনিয়ন সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী সেক্রেটারি হাফিজ উদ্দিন আলতাফসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, সম্প্রতি কুশমাইল জোলারপাড়ায় স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ওয়ার্ড সভাপতি ওসমান গণিকে আটকে রাখেন। এ খবর পেয়ে ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গীর আলম ফেসবুক লাইভে এসে পুরো ঘটনা তুলে ধরেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৪ ডিসেম্বর ছাত্রদল নেতা ছাব্বাব হক ছাবুর নেতৃত্বে কয়েকজন জোনাইল বাজারে জাহাঙ্গীর আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা ছাব্বাব হক ছাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কের বিষয়টি স্বীকার করেন, তবে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।