কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে আসা ছোড়া গুলিতে হুজাইফা সুলতানা আফরান নামে এক বাংলাদেশি শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আহত শিশুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয়রা কয়েক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে।
এতে আগে রাতভর মিয়ানমারের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মি ও রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলার খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের সীমান্তে অনুপ্রবেশের সময় বিজিবি অভিযান চালিয়ে ৫০ জন রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠির সদস্যসহ মোট ৫৩ জনকে আটক করেছে। আটকদের মধ্যে আরাকান সলভেশন আর্মির (আরসা) ৩ জন, নবী হোসেন গ্রুপের ২৯ জন ও রোহিঙ্গা ইসলামি মাহাসের (আরআইএম) ১৮ জন সদস্য রয়েছে। তাদের টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সীমান্তের বাসিন্দারা গোলাগুলির শব্দে আতঙ্কিত। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, রাতে বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে, নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা ভয় পেয়েছেন। মাছ ধরা, স্কুল যাওয়া এবং সাধারণ জীবনযাত্রা সীমান্ত এলাকায় ব্যাহত হচ্ছে।
টেকনাফ ইউএনও মো. ইনামুল হাফিজ নাদিম বলেন, সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বজায় রাখতে নিয়মিত বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিজিবি রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমদ জানান, সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় থাকছে বিজিবি এবং আটককৃতদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হবে।