আইসিসিবিতে ১৪-১৭ জানুয়ারি

শুরু হচ্ছে পোশাক শিল্পের সরঞ্জাম মেলা

তৈরি পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম বা গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং পণ্য খাতসংশ্লিষ্টদের কাছে তুলে ধরতে শুরু হচ্ছে (১৫তম) গার্মেন্টস টেকনোলজি প্রদর্শনী বাংলাদেশ (জিটিবি ২৬)। ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চার দিনব্যাপী মেলা চলবে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। গতকাল রবিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আয়োজকরা। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনীটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এএসকে ট্রেডশো অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএপিএমইএ) যৌথ উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আয়োজকরা জানিয়েছে, প্রদর্শনীতে অংশ নেবে ১৫টিরও বেশি দেশ। এতে ১ হাজার ৫০০টি বুথের মাধ্যমে ৪৫০টিরও বেশি ব্র্যান্ডের পণ্য প্রদর্শন করা হবে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে ভারত, জাপান, ভিয়েতনাম, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানির উদ্যোক্তারা রয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা গার্মেন্টস ও গ্যাপেক্সপো প্রদর্শনীতে পোশাক খাতের সরঞ্জাম ও মোড়কীকরণ সামগ্রী তৈরির যন্ত্র, সেলাই মেশিন, এমব্রয়ডারি, ডাইং, প্রিন্টিং কাটিং, ক্যাড-ক্যাম, স্প্রেডিং যন্ত্র, এক্সেসরিজ, প্যাকেজিং, ইয়ার্ন ও ফেব্রিকস প্রদর্শন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিপু সুলতান ভূঁইয়া বলেন, ‘বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশকে সব ধরনের কারখানায় ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কারিগরি শিক্ষায় বিনিয়োগ করতে হবে। স্মার্ট যন্ত্রপাতি ও টেকসই প্রযুক্তিতে কৌশলগত বিনিয়োগ এবং বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে স্বচ্ছতা ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ বাংলাদেশকে শুধু সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে উৎপাদন থেকে মানসম্মত ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতায় রূপান্তর করতে সাহায্য করবে। জিটিবি এই প্রযুক্তিগত সমাধানগুলো প্রদান করবে।’

বিজিএপিএমইএর সভপতি মো. শাহারিয়ার বলেন, পেপার প্যাকেজিং পণ্যকে ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এ ঘোষণা পেপার প্যাকেজিং শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এ খাতের পণ্য রপ্তানিতে প্রণোদনা ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতি সহায়তাও প্রত্যাশা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়েছে, গত ২২ বছর ধরে ‘জিটিবি’ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সরবরাহকারীদের কাছ থেকে কাটিং-এজ সেলাই, ফিনিশিং, এমব্রয়ডারি যন্ত্রপাতি এবং খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহের জন্য সবচেয়ে পছন্দের প্ল্যাটফর্ম।