কিডনি রোগীরা খাবেন না কামরাঙা

ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপকারী নানা উপাদানে ভরপুর  কামরাঙা। এই ফল কাঁচা, পাকা উভয় অবস্থায় খাওয়া যায়। এই ফলের নানা ধরনের পুষ্টিগুণ রয়েছে। কিন্তু কারও কারও জন্য এই ফল বিপদ ডেকে আনে।

যাদের কিডনি সুস্থ তাদের কামরাঙা খেলে কোনো ক্ষতি হয় না। দিনে ১-২টা কামরাঙা খেলেও তেমন সমস্যা হয় না। তবে অতিরিক্ত অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণে অনেক দিন কামরাঙা খেলে ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে, কামরাঙা ফলের রস সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে।

অতিরিক্ত কামরাঙা খেলে কিডনিতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। এর পাশাপাশি স্নায়ুতন্ত্রের আক্রমণের আশঙ্কাও রয়েছে।

কিডনি নষ্টের প্রধান কারণ কামরাঙায় থাকা অক্সালেট ও নিউরোটক্সিন। ১০০ মিলিলিটার কামরাঙার জুসে ০.৫০ গ্রাম অক্সালিক অ্যাসিড রয়েছে। তাই অত্যধিক সেবনে অতিমাত্রায় অক্সালিক অ্যাসিড জমে গিয়ে অক্সালেট পাথর হয়ে কিডনি বিকল করে দিতে পারে। তবে খালি পেটে কামরাঙা খেলে ক্ষতির আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

যাদের কিডনি দুর্বল তারা এই মারাত্মক নিউরোটক্সিনকে শরীর থেকে বের করে দিতে পারে না। তখন এটি শরীরের বিভিন্ন অংশ বিশেষ করে ব্রেন এবং নার্ভাস সিস্টেমের ওপর মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ফলে মাথা ঘোরা, জ্ঞান হারানো, মানসিক ভারসাম্যহীনতা, এমনকি খিঁচুনি পর্যন্ত হতে পারে।

যাদের আগে থেকেই কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ আছে। শারীরিক স্থূলতা, কিডনিতে পাথর থাকার ইতিহাস, ডায়ালিসিসের রোগী, অন্তঃসত্ত্বা নারীর এই ফল না খাওয়াই উচিত।