ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলকে চট্টগ্রাম আমির

জামায়াত দেশের স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে

চট্টগ্রামে জামায়াতে ইসলামী নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল। এ সময় উভয়পক্ষ শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এতে অংশ নেন। অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে ছিলেন দীর্ঘমেয়াদী নির্বাচন পর্যবেক্ষক ম্লাদেন কোবাসেভিচ, নির্বাচন পর্যবেক্ষক সুসানে গিয়েন্ডলের এবং সহকারী নির্বাচন পর্যবেক্ষক মাসুক হায়দার। 

মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম মহানগর আমির নজরুল ইসলাম বলেন, জামায়াতে ইসলামী গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের মতামত প্রতিফলনের পক্ষে। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী শুরু থেকেই জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আলাদাভাবে আয়োজনের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সরকারের গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন এক সাথে করার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে জামায়াতে ইসলামী দেশের বৃহত্তর স্বার্থে  হ্যাঁ ভোটের পক্ষে গণসংযোগ ও প্রচার প্রচারণা চালিয়ে আসছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি জনগণকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রামের প্রতীক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীরা এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের আদলে পরিকল্পিত সন্ত্রাস সৃষ্টি করে এ হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার এবং সামগ্রিক জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রকৃত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানান তিনি। 

মহানগর জামায়াত আমির নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি ভোট গণনাকক্ষসহ নির্বাচনী কার্যক্রমের শতভাগ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনে তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার দাবি জানান। মতবিনিময়কালে জামায়াত নেতৃবৃন্দের মধ্যে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও নগর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ ও ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. একেএম ফজলুল হক, নগর কর্মপরিষদ সদস্য হামেদ হাসান ইলাহী উপস্থিত ছিলেন।