ব্যাংকগুলোর অর্থায়নে একটি ব্যাংক রেজল্যুশন ফান্ড গঠনে কাজ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই ফান্ডে ৩০ থেকে ৪০ হাজার কোটি টাকা জমা করা হলে সংকটের সময় সরকারের বাজেটের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। শুধু ব্যাংক নয়, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও রেজল্যুশন কাঠামোর আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি বুধবার (২১ জানুয়ারি) ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক পুরোপুরি স্বাধীন না হলেও স্বাধীনভাবে কাজ করছে। আগামী দিনেও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংকিং কার্যক্রমকে কোনোভাবেই যেন ব্যক্তিকেন্দ্রিক সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত না করে, সে বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। বিশ্বের বড় ব্যাংকগুলোর কোনটি পারিবারিকভাবে চলে না, সেগুলো প্রসাশনিকভাবে পরিচালিত হয়।
গভর্নর বলেন, বিশ্বের চারটি আর্থিক খাতের মধ্যে ব্যাংকিং খাত রয়েছে তৃতীয় স্থানে। তবে বাংলাদেশে এর অবস্থান প্রথম। ফলে বাংলাদেশে অন্যান্য আর্থিক খাত ক্ষতির অবস্থানে রয়েছে। এখন আমাদের ভালো অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে হবে। ব্যাংকিং খাতের সঙ্গে অন্যান্য খাতগুলোকে প্রাধান্য দিতে হবে।
রাজস্ব ফাঁকির প্রধান উপায় ক্যাশ, তাই দেশে ক্যাশলেস সোসাইটি করতে পারলে বছরে রাজস্ব আদায় দেড় থেকে দুই লাখ কোটি টাকা বাড়বে। এ লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার আহ্বান জানান গভর্নর।
সূত্র: বাসস