ডেভিড পেইন ও ঝাই রিচার্ডসনের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং ফিন অ্যালেন–মিচেল মার্শের ঝড়ো উদ্বোধনী জুটিতে ভর করে বিগ ব্যাশ লিগের ইতিহাসে নিজেদের আধিপত্য আরও দৃঢ় করল পার্থ স্কর্চার্স। সিডনি সিক্সার্সকে ফাইনালে ছয় উইকেটে হারিয়ে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা জিতেছে তারা।
অপ্টাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সিক্সার্স ২০ ওভারে ১৩২ রানে গুটিয়ে যায়। জবাবে স্কর্চার্স ১৮ ওভারেই ৪ উইকেটে ১৩৩ রান তুলে নেয়।
সিম–সহায়ক উইকেটে স্কর্চার্সের পেস আক্রমণ শুরু থেকেই চাপে রাখে সিক্সার্সকে। ডেভিড পেইন (৩–১৮) ও ঝাই রিচার্ডসন (৩–৩২) নেতৃত্বে বোলাররা আটটি উইকেট ভাগাভাগি করেন। স্টিভেন স্মিথ ১৩ বলে ২৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে কিছুটা হুমকি তৈরি করলেও অ্যারন হার্ডির এলবিডব্লিউ আপিল রিভিউতে উল্টে যাওয়ায় তার বিদায় ঘটে। সেটিই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়।
পেইনের ধীরগতির ও নিখুঁত ভ্যারিয়েশন সিক্সার্স ব্যাটসম্যানদের বিভ্রান্ত করে। পাওয়ার সার্জে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি সিক্সার্সের রান তোলার গতি থামিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ফাইনালের ইতিহাসে সর্বনিম্ন প্রথম ইনিংস স্কোর নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিক্সার্স।
১৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় স্কর্চার্স। ফিন অ্যালেন ও মিচেল মার্শ উদ্বোধনী জুটিতে ৮০ রান যোগ করেন। মার্শ করেন ৪৪ রান, আর অ্যালেন ২২ বলে ৩৬ রান করে পুরো মৌসুমে নিজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন। টুর্নামেন্ট শেষে ৪৬৬ রান নিয়ে তিনিই হন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।
শেষদিকে কিছু উইকেট পড়লেও জশ ইংলিসের লং–অফের ওপর ছক্কায় নিশ্চিত হয় জয়। চারবারের মতো ফাইনালে সিক্সার্সকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের কৃতিত্বও গড়েছে স্কর্চার্স।