ব্রেনডন টেইলের এক যুগ পর বিশ্বকাপে ফেরা জয়ে রাঙালো জিম্বাবুয়ে

এক যুগ পর টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিরেই জয় দিয়ে শুরু করলেন ব্রেনডন টেলর। তাঁর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ওমানকে রীতিমতো উড়িয়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে। কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব (এসএসসি) গ্রাউন্ডে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ৮ উইকেট ও ৩৯ বল হাতে রেখে সহজ জয় তুলে নেয় আফ্রিকার দলটি।

চার বছর পর টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিরেছে জিম্বাবুয়ে। আর ব্রেনডন টেলরের জন্য এটি ছিল ১২ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা। ২০০৭ সালে প্রথম টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা এই অভিজ্ঞ উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান প্রত্যাবর্তন ম্যাচেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

১০৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ওপেনার ব্রায়ান বেনেটের সঙ্গে ৬৮ রানের জুটি গড়েন টেলর। তবে দৌড়াতে অসুবিধা হওয়ায় ৩০ বলে ৩১ রান করে আহত অবস্থায় মাঠ ছাড়তে হয় ৪০ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানকে। টেলর যখন উঠে যান, তখন জিম্বাবুয়ের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রান। তাঁর জায়গায় নামা সিকান্দার রাজা চার মেরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। অন্য প্রান্তে ৩৬ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন ব্রায়ান বেনেট।

এর আগে বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি তিন ওভারে ৩০ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েন। ওমানের মিডিয়াম পেসার সুফিয়ান মেহমুদ টানা তিন বলের মধ্যে মারুমানি (২১) ও ডিওন মায়ার্সকে ফিরিয়ে কিছুটা আশার আলো দেখালেও, বেনেট–টেলরের জুটিতে দ্রুতই সেই আশা মিলিয়ে যায়।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের পেস আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ওমান। নতুন বলে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানির বাউন্সে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে দলটি। মাত্র ৪ ওভারের মধ্যেই ১৭ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় ওমান।

সপ্তম ওভারের শেষ বলে ওয়াসিম আলীকে বোল্ড করে স্কোর ২৭ রানে ৫ উইকেটে নামিয়ে আনেন সিকান্দার রাজা। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে সুফিয়ান মেহমুদ ও বিনায়ক শুক্লার ৪২ রানের জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ওমান। তবে এনগারাভা ফিরে এসে সেই জুটি ভেঙে দেন। শুক্লা ২৮ ও মেহমুদ ২৫ রান করে আউট হন। শেষ দিকে নাদিম খানের ২০ রানে ভর করে কোনোমতে শতরান ছুঁয়ে ফেলে ওমান।

ওমান গুটিয়ে যায় ১৯.৫ ওভারে ১০৩ রানে। জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্লেসিং মুজারাবানি, রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স নেন তিনটি করে উইকেট। ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন মুজারাবানি।

জিম্বাবুয়ে তাদের পরের ম্যাচ খেলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি, কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। অন্যদিকে ওমান ১২ ফেব্রুয়ারি পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে।