ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পরিচালনা করা, ব্যবস্থাপনা করা প্রচণ্ড রকমের চ্যালেঞ্জ। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর একটি হোটেলে মিডিয়া সেন্টার উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
ইসি সচিব বলেন, কমিশনের লক্ষ্য একটি সুস্থ, সুন্দর ও উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও অর্থবহ নির্বাচন আয়োজন করা। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি রাজনৈতিক সরকার এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো নির্ধারণ হবে গণভোটের মাধ্যমে।
তিনি বলেন, এই জায়গায় পৌঁছানোই নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে বড় সাফল্য। এ সাফল্যের অংশীদার সবাই। কেউ বেশি, কেউ কম নয়। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। নিজের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারাই তার সাফল্যের মাপকাঠি বলে মন্তব্য করেন ইসি সচিব।
তিনি বলেন, ২৯৯টা আসনে ভোট হবে। একটা আসনে প্রার্থী ইন্তেকাল করার কারণে ওটাকে স্থগিত, মানে ওটা বাতিল করা হয়েছে, এটা পরবর্তীতে হবে। ২৯৯টা আসনের সব ব্যালট পেপার চলে গেছে, সব নির্বাচন উপকরণ চলে গেছে। ব্যালট পেপার রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে পর্যায়ক্রমিকভাবে অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছে চলে যাচ্ছে। তার মানে ভোট গ্রহণের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই প্রস্তুতিটা এখন আমাদের মুহূর্ত গোনার জন্য অপেক্ষা।
তিনি বলেন, আমরা আগামী ১২ তারিখ সকাল সাড়ে সাতটার সময় ভোট দিয়ে আমরা একটা যুগান্তরের একটা সন্ধিক্ষণে আসব এবং আমাদের শুভ সূচনা হবে। এবং ওই সময়টুকুর জন্যই আমরা এখন অপেক্ষমান।
সচিব আরও বলেন, এই জায়গায় আসাটা খুব সহজ ছিল না। মসৃণ ছিল না। আমরা একটু একটু করে ধাপে ধাপে এগুলোকে উত্তরণ করে নিয়ে আসতে পেরেছি। লক্ষ্যটা কী? উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ, সুন্দর, সুষ্ঠু, অর্থবহ একটা নির্বাচন দেওয়া।