বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের লাহোর সফর কেবল সরকারি বা ক্রিকেট সম্পর্কিত আলোচনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে লাহোরে পৌঁছানোর পর তিনি সরাসরি অংশ নেন শহরের বসন্তের ঘুড়ি উৎসবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান মহসিন নাকভি তাকে সেখানে ‘চিফ গেস্ট’ হিসেবে আমন্ত্রণ জানান এবং গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের কাছে একটি বড় হলের ছাদে বিশেষ আসনে বসান।
দেশে ফিরে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বুলবুল জানান, “লাহোরে বসন্তের ঘুড়ি উৎসব ছিল—ম্যাসিভ! পুরো শহর একদম অন্য লেভেলে ছিল। যেহেতু পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও, তার বাসা লাহোরে, পিসিবিও ওখানে, তাই আমাকে উৎসবে চিফ গেস্ট বানানো হলো। এয়ারপোর্ট থেকে সেখানে গিয়ে নিজেও একটু ঘুড়ি উড়ালাম।”
বুলবুলের কথায়, শুধু ঘুড়ি উড়ানো নয়, এই উৎসব বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ক্রিকেটের সম্পর্ক মসৃণ করার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবেও কাজ করেছে। তিনি বলেন, “ঘুড়ি উৎসবে বাংলাদেশ ক্রিকেট এবং পাকিস্তান ক্রিকেটের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা হলো। আমরা চীনের ‘পিং পং ডিপ্লোমেসি’র কথা জানি। লাহোরে আমার কাছে মনে হয়েছে, এটা একটা ‘কাইট ডিপ্লোমেসি’। আমাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার জন্য এটি এক ধরনের সেতুবন্ধন হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
বুলবুল লাহোরে গিয়েছিলেন মূলত আইসিসি ও পিসিবির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ এক সভায় যোগ দিতে। পিসিবি চেয়ারম্যান ও আইসিসি কর্মকর্তাদের সাথে সেই সভার পর চলমান টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। আইসিসিও বাংলাদেশকে আশ্বস্ত করেছে, ভারতে নিরাপত্তাশঙ্কার কারণে বিশ্বকাপ না খেলায় বাংলাদেশকে কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে না। তা ছাড়াও ২০৩১ সালের আগে বাংলাদেশে হবে আইসিসির একটি বড় ইভেন্ট।