হাসনাত আবদুল্লাহ

বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তের দিকে যেতে থাকব

কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমার আসনের এক লাখ ৩০০ ভোটার প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন। সেই জায়গায় আগ্রহ, উৎসাহ রয়েছে। বেলা গড়ানোর সাথে সাথে ভোটের পরিস্থিতি পরিবর্তন হবে। আমরা আশা করি, উৎসাহটা বজায় থাকবে এবং সবাই ভোট দিতে আসবে।

তিনি বলেন, বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তের দিকে যেতে থাকব।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কুমিল্লার দেবীদ্বারে ভোট দেয়ার পর গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা গত দুইদিন দেখেছি ভোটাররা যেন ভোট না দিতে আসে সেই ব্যাপারে একটা প্রচেষ্টা ছিল। আমাকে ভোট দিলে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে আমরা গতকাল দেখেছি যে দেবীদ্বারে যারা জুলাইয়ে গুলি করে ইয়াসিন, সাব্বির, রুবেলদের (রুবেল ভাই বিএনপির নেতা ছিলেন) হত্যা করেছে-তারা এবং ঋণ খেলাপিরা ভোট যেন সুষ্ঠু না হয়, উৎসবমুখর পরিবেশ যেন বজায় না থাকে, সেটার চেষ্টা করছে। গতকাল সেটা আমরা বলেছি। আশা করি, বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আমরা বিজয়ের দ্বারপ্রান্তের দিকে যেতে থাকব।

এজেন্ট বা অন্য কোনো সমস্যা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ, এখনো পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয় নাই। টেকনিক্যাল এবং প্রক্রিয়াগত কোনো জটিলতার খবর এখনো আমার কাছে আসেনি। যদি আসে তবে অবশ্যই জানাবো।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা কোনো সহিংসতা বা শঙ্কা থেকে মুক্ত থাকতে চাই। ভোট একটা উৎসবের হবে, ভোট তো ভয়ের না। মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে, যাকে ইচ্ছা তাকে বা যাকে পছন্দ তাকে ভোট দেবে। দেবীদ্বারের মানুষের কাছে আমার আহ্বান থাকবে-আপনারা যাকে ইচ্ছা ভোট দেন, শুধু ভোটের জন্য যেন আপনাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের অবনতি না ঘটে। আমরা চাই সামাজিক সৌহার্দ্যের সম্পর্ক যেন আপনারা বজায় রাখেন। ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য নিজেদের মধ্যে কোনো ধরনের নেতিবাচক সম্পর্ক আমরা প্রত্যাশা করি না। আপনাদের সাথে অনেকদিন পরে দেখা। কারণ সচরাচর ঢাকায় দেখা হয়, আমি গ্রামে আছি এই কারণে আপনাদের সাথে দেখা হয়েছে। থ্যাংক ইউ সবাইকে।