রুমিন ফারহানা বললেন

বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে 

বিএনপি যদি স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করে, তার পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। গতকাল শনিবার রাত পৌনে ২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুরে নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েন রুমিন ফারহানা।

সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ সেøাগান দিতে থাকলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা তার পুষ্পস্তবকটি ছিঁড়ে ফেলে বলে দাবি করেন তিনি। এর ফলে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই কর্মী-সমর্থকদের প্রহরায় শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন রুমিন ফারহানা। এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন রুমিন ফারহানার কর্মী-সমর্থকরা। এতে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্সি অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে আমিই সবচেয়ে আগে ফুল দেব। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা গেল যে, বিএনপির কিছু লোক রীতিমতো হামলা চালায় আমার নেতাকর্মীদের ওপর। আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়। আমি এটুকুই বলব, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে। বিএনপি যদি তার নেতাকর্মীদের স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ না করে এখনই, এর পরিণতি ভয়াবহ রকমের হবে।’

রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘এ হামলাটি একেবারেই পরিকল্পিত। গু-া প্রকৃতির একটা লোকের (আনোয়ার হোসেন) নেতৃত্বে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ছেলে হামলা চালায়।’

পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, শহীদ মিনারে দুপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এবং সেøাগানের অভিযোগ এসেছে। ভিডিও ফুটেজ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।