জ্যাকস–রশিদের ঘূর্ণিতে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা; ইংল্যান্ডের ১২-০

সুপার এইট পর্বে প্রথম ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। শনিবার রাতে তারা শ্রীলঙ্কােকে ৫১ রানে হারিয়েছে।

প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড তোলে ৯ উইকেটে ১৪৬ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন ফিল সল্ট। শ্রীলঙ্কার বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন দুনিথ ওয়েলালাগে—৩ ওভারে মাত্র ২৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা গুটিয়ে যায় মাত্র ৯৫ রানে। ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণে মূল ভূমিকা রাখেন উইল জ্যাকস ও আদিল রশিদ। জ্যাকস ৩ উইকেট নেন ২২ রানে। রশিদ নেন ২ উইকেট, খরচ করেন মাত্র ১৩ রান। এছাড়া লিয়াম ডসন ২৭ রানে পান ২ উইকেট।

এই জয়ের মাধ্যমে টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানা ১২তম ম্যাচ জিতল ইংল্যান্ড।

আগের দিন পাকিস্তান - নিউজিল্যান্ড ম্যাচটি বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। তাই পয়েন্ট টেবিলে বড় সুবিধা নিয়ে শুরু করল ইংল্যান্ড, যা তাদের সেমিফাইনালে ওঠার পথ অনেকটাই সহজ করে দিল।

হারের পর শানাকা বলেছেন, 'সত্যিই হতাশাজনক, তবে বোলিংয়ে আমাদের অনেক ইতিবাচক দিক ছিল। আমরা তাদের এই মাঠের গড় স্কোরের চেয়েও ২০ রান কমে আটকে রেখেছিলাম। আমরা ব্যাটিং খারাপ করেছি। এমন না যে তারা খুব দুর্দান্ত বোলিং করেছে, বরং আমরাই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কিছু দায়িত্বজ্ঞানহীন শট  খেলেছি'।

এই পাল্লেকেলেতেই হ্যারি ব্রুকের দল দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে ৩-০তে হারিয়েছিল বিশ্বকাপের আগে আগে। এবারও একই ফল, জন্মদিনে এর চেয়ে ভাল উপহার  আর হয় না, এটাই বললেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক, 'জন্মদিনের চমৎকার এক উপহার, দারুণ এক প্রচেষ্টায় ওদের ১০০ রানে অল-আউট করে জয় পাওয়া।  আমার মনে হয় না পিচে কোনো জুজু ছিল; দুই পক্ষের স্পিনাররাই বলের গতির হেরফের খুব ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছে, পেসের অভাবই আসলে সুযোগ তৈরি করছিল। আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলেছি এবং পরিস্থিতির সাথে খুব দ্রুত মানিয়ে নিয়েছি।'

বিশ্বকাপের আগে এখানে খেলে যাওয়ার অভিজ্ঞতাটা কাজে দেয়ার কথাও বললেন ব্রুক, 'আমরা এখানে অনেক খেলেছি এবং জানতাম যে স্পিন একটা বড় ভূমিকা রাখবে।'

মঙ্গলবার একই ভেন্যুতে ইংল্যান্ড খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে, শ্রীলঙ্কা পরের ম্যাচটা খেলবে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে।