দৃঢ় হচ্ছে ভারত-ইসরায়েল সম্পর্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয়বারের মতো ইসরায়েল সফর করতে যাচ্ছেন। ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারির দুই দিনব্যাপী সফরে অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা ও কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার হওয়ার আশা করা হচ্ছে। মোদি ইসরায়েলি সংসদ নেসেটে বক্তব্য রাখবেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মোদির আগমনকে 'অসাধারণ জোট' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন, 'আমরা সকল ধরনের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করব।' 

২০১৭ সালে প্রথমবার ইসরায়েল সফর করার পর থেকে দুই দেশের অংশীদারিত্ব অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ২০২৪ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দাঁড়ায় ৩.৯ বিলিয়ন ডলার এবং পারস্পরিক বিনিয়োগের মূল্য আনুমানিক ৮০০ মিলিয়ন ডলার। ২০২৫ সালে ইসরায়েল প্রথম ওইসিডি দেশ হিসেবে ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক বিনিয়োগ রক্ষা ও উন্নয়নের চুক্তি স্বাক্ষর করে।

তবে সমালোচকরা মনে করছেন, কাশ্মীর ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে ভারতের ডানপন্থী নীতি এবং সংখ্যালঘুবিরোধী অবস্থান এই ঘনিষ্ঠতা শক্তিশালী করছে। প্রতিরক্ষা খাতেও দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার হয়েছে—ভারত ইসরায়েলি অস্ত্রের সবচেয়ে বড় ক্রেতা, ড্রোন, রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ও মানববিহীন আকাশযানসহ সামরিক প্রযুক্তি আমদানি করছে এবং আদানি ডিফেন্সের সঙ্গে যৌথ উৎপাদন উদ্যোগ নিয়েছে। এতে মানবাধিকার বিষয়ক প্রশ্নও উঠেছে।