শনিবারের প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে মুসলিম খেলোয়াড়দের রোজা ভাঙার সময় লিডস ইউনাইটেড সমর্থকেরা দুয়ো দিয়েছেন। এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা। তিনি বলেছেন, আধুনিক বিশ্বে অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান দেখাতে হবে এবং সবাইকে ধৈর্য প্রদর্শন করতে হবে। লিডসের সহকারী কোচ এডমন্ড রিমারও ভক্তদের প্রতিক্রিয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন।
ম্যাচের ১২তম মিনিটে ইফতারের জন্য বিরতি দেওয়া হয়, যাতে রায়ান আইট-নৌরি, রায়ান চেরকি এবং ওমর মারমুশরা এসময় ইফতার করতে পারেন। স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় এ সংক্রান্ত ঘোষণাও দেওয়া হয়। প্রিমিয়ার লিগে ২০২১ থেকে মুসলিম খেলোয়াড়দের জন্য এই রোজা ভাঙার বিরতি অনুমোদিত। কিন্তু কিছু লিডস ভক্ত বিরতির কারণে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এর প্রতিবাদে গার্দিওলা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এটা আধুনিক পৃথিবী, তাই না? আজকের পৃথিবীতে কি ঘটছে দেখুন। ধর্মের প্রতি সম্মান, বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান, এটাই মূল। প্রিমিয়ার লিগ বলে ১–২ মিনিটের জন্য খেলোয়াড়রা রোজা ভাঙতে পারবে। তারা ধর্মীয় অনুশীলন অনুসরণ করেন। আমাদের ভালো নিউট্রিশনিস্ট আছে এবং তারা দলের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজেকে মানিয়ে নেন। এটি নতুন কিছু নয়, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই সময় খেলছে। সমস্যা কোথায়?’
বৈষম্য বিরোধী সংস্থা ‘কিক ইট’ আউট বিবৃতিতে বলেছে, ‘রমজান মাসে মুসলিম খেলোয়াড়দের রোজা ভাঙার জন্য খেলা সাময়িকভাবে থামানো বহু বছর ধরে একটি সম্মত প্রোটোকল। এটি খেলোয়াড় এবং সম্প্রদায়ের জন্য স্বাগত জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং দৃশ্যমান অংশ। তবে আজকের প্রতিক্রিয়া দেখায়, ফুটবলে এখনও শিক্ষার এবং গ্রহণযোগ্যতার অনেক কাজ বাকি।’
লিডসের সহকারী কোচ এডি রিমার বলেন, ‘এমন একটা ঘটনা ঘটায় আমি হতাশ।’