যুক্তরাষ্ট্র চায় বাংলাদেশসহ সব দেশ থেকে দেশটিতে অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার বন্ধ হোক। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এ বিষয়ে তাদের মধ্যে কথা হয়।
সচিবালয়ে আইনমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাতের পর রাষ্ট্রদূত বলেন, আইনমন্ত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে। অবৈধ অভিবাসন ও মানবপাচার বন্ধ করা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা উভয় দেশেরই অগ্রাধিকার।
রাষ্ট্রদূত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খান রিতা এবং কৃষি, খাদ্য ও মৎস্যসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদের সঙ্গেও আলাদাভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
রাষ্ট্রদূত মনে করেন, বাংলাদেশের বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাত আগামী দশকে প্রবৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত। যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং ও অন্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের এ যাত্রায় আদর্শ অংশীদার হতে পারে। রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন এসব খাতে বিদ্যমান নানা সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রির সঙ্গে আলোচনা করেন।
কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা বাণিজ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশকে তার জনগণের খাদ্য জোগাতে সহায়তা করছি।’ রাজধানীর সচিবালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে আলাপে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও পারস্পরিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বিষয়ে সহযোগিতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের দীর্ঘ সময়ের বন্ধু ও উন্নয়ন অংশীদার। উভয় দেশের মধ্যে খুবই চমৎকার সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশের কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকে আরও বেগবান করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার মনোভাবকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।