ইবি শিক্ষক হত্যাকাণ্ডে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

কুষ্টিয়ায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহযোগী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন প্রশাসন। কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক জরুরি সভায় বিশ্ববিদ্যায়ের হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক ও উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) মো. গোলাম মওলাকে সদস্য সচিব করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা ডক্টর মো.ওবায়দুল ইসলাম ও  লালন শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গাজী মোহম্মদ আরিফুজ্জামান খান।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক জানান, ইবি ক্যাম্পাসে একজন শিক্ষককে কেন এবং কোন প্রেক্ষাপটে এমন নৃশংস হত্যার শিকার হতে হলো তার সঠিক চিত্র তুলে ধরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো.মিজানুর রহমান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ কল্যাণ বিভাগের শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনাকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইবি কর্তৃপক্ষ যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন সে বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে এখনও দাপ্তরিকভাবে কাগজপত্র হাতে পায়নি। কাগজপত্র পেলেই কমিটির সব সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেই কর্মকৌশল ঠিক করা হবে। আমরাও চেষ্টা করবো যত দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দেওয়ার।

গত ৪ মার্চ বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা নিজ কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় কর্মচারী ফজলুর রহমান ছুরিকাঘাতে হত্যা করে এরপর নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ফজলুর রহমান বর্তমানে কুষ্টিয়া আড়াইশ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এঘটনায় নিহতের স্বামী বাদী হয়ে ইবি থানায় কর্মচারী ফজলুর রহমানসহ দুইজন বিভাগীয় শিক্ষক ও এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।