নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় বাবার মতো সন্ত্রাসীদের হাতে ছেলেও প্রাণ হারাল। ঘটনাটি ঘটেছে ফতুল্লার সস্তাপুর এলাকায়। প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হওয়ার দুদিন পর সাব্বির (৩০) নামের এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গত শুক্রবার রাতে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাব্বির ফতুল্লা মডেল থানার পিঠালিপুল পূর্ব লামাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও নিহত ইস্রাফিলের ছেলে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সাব্বিরের বাবা ইস্রাফিলকেও আগে সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করেছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাব্বির ও সোহাগ গ্রুপের মধ্যে মাদক ব্যবসা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় সোহাগ গ্রুপের হামলায় সাব্বির আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে সুস্থ হয়ে তিনি বাসায় ফিরে আসেন। এ ঘটনায় সাব্বিরের ভাই তানভীর আহম্মেদ বাদী হয়ে সোহাগ, খোকন, রাব্বিসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পরে ৪ মার্চ রাতে সাব্বির সাহরি খেতে শিবু মার্কেট এলাকায় গেলে সোহাগ গ্রুপের সদস্যরা তার ওপর আবারও হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্বজনরা তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, দুদিন আগে সাব্বিরকে হামলা চালিয়ে আহত করা হয়েছিল। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।