শেষ হলো ‘সোনালী সৈকতে’ সিনেমার শুটিং

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নান্দনিক পটভূমি ও বাস্তবধর্মী গল্পের মেলবন্ধনে সম্পন্ন হলো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘সোনালী সৈকতে’-এর শুটিং।  চলচ্চিত্রটির কাহিনী, সংলাপ ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ড. মো: ফারুকুর রহমান ফয়সল। পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা বড়ুয়া মনোজিত ধীমন। 

‘সোনালী সৈকতে’ সিনেমাটির কাহিনী গড়ে উঠেছে সোনালী নামের  মাতৃহারা একটি মেয়ে কেন্দ্র করে। নিঃসঙ্গতা কাটানোর জন্য শিল্পপতি বাবা তাকে কক্সবাজার বেড়াতে নিয়ে আসে। কক্সবাজার এসে চিত্রশিল্পী সাগরের সাথে পরিচয় হয় সোনালীর। শিল্পী সাগর তার শিল্পকর্মের অনুরূপ হিসেবে সোনালীকে ভাবে। অপর দিকে কক্সবাজারের একজন সাধারণ মালা বিক্রেতা মুনিয়া গভীরভাবে ভালোবাসে সাগরকে। শিল্পপতি অদিত চৌধুরী ১২ বছর পূর্বে স্ত্রী বিয়োগের নিঃসঙ্গতার সঙ্গী হিসেবে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সিইও শেলীর সাথে রসায়ন ঘটে। 

সিনেমায় পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, আঞ্চলিক সংস্কৃতি ও স্থানীয়দের জীবনযাত্রার পাশাপাশি পর্যটকদের আবেগ,অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরা হয়েছে। কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাব নিবেদিত অরণ্য ফিল্মস এর ব্যানারে মোহাম্মদ সেলিম প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তাসনোভা তাশরীন লাবণ্য। অন্যান্য চরিত্রে বড়ুয়া মনোজিত ধীমন, মাহিয়া খান, ইমন বড়ুয়া, কানিজ ফাতেমা সূচি, তানভির হোসেন, সুমন কুমার সাহা, সরওয়ার সিকদার, মোহাম্মদ সেলিম, ড. ফারুকুর রহমান ফয়সলসহ স্থানীয় অভিনয় শিল্পীরা। চিত্রগ্রহণে এলাহী হোসেন সোহাগ। সহযোগিতায় হোটেল শৈবাল, কক্সবাজার এবং বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন। 

চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে পরিচালক বড়ুয়া মনোজিত ধীমন জানান, এ মাসের মধ্যেই পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শুরু করব। সব ঠিক থাকলে এ বছরের মাঝামাঝি চলচ্চিত্রটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নেবে। দেশের প্রেক্ষাগৃহ্ওে চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।