নিউজিল্যান্ডের আমন্ত্রণে ব্যাট করতে নেমে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত ৫ উইকেটে ২৫৫ রান তুলেছে। বলা যায়, এই স্কোর ডিফেন্ড করে শিরোপা জিততে চলেছে সূর্যকুমাররা।
আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে আড়াই শ রান তাড়া করে জয়ের ঘটনা আছে একটি। তবে সেটি বিশ্বকাপে নয়। ২০২৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৫৮ রান তাড়া করে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এই বিশ্বকাপে ভারত এ নিয়ে তৃতীয়বার ২৫০+ রান করলো। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৫৬ রান তুলে ৭২ রানে জিতেছিল ভারত। দুদিন আগে মুম্বাইয়ে সেমিফাইনালে ২৫৩ রান করে ইংল্যান্ডকে ৭ রানে হারিয়ে উঠেছিল ফাইনালে।
ওই ম্যাচের মতো সনজু স্যামসন এবারো সর্বোচ্চ রান করেছেন। আসরের দ্রুততম ফিফটি (১৮ বলে) করা অভিষেক শর্মাকে নিয়ে ৭ ওভারে ৯৮ রান তুলে নেন স্যামসন। এরপর ইশান কিশানকে নিয়ে গড়ে তোলেন ৮ ওভারে ১০৫ রানের জুটি। জুটিটি ভাঙে সন্জু স্যামসন ৪৬ বলে ৮৯ রানে আউট হয়ে গেলে। তাকে আউট করা জিমি নিশাম ওই ওভারেই ইশান কিশান (২৫ বলে ৫৪) এবং সূর্যকুমারকে প্রথম বলেই আউট করে দিলে মনে হচ্ছিল ভারতকে বুঝি আটকানো গেলো।
কিন্তু তা হয়নি শিবম দুবের ৮ বলের ২৬ রানের ক্যামিওতে।
ভারতে ব্যাটারাররা সবাই মিলে ১৮টি ছক্কা হাকিয়েছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯টি ছক্কা হাকিয়েছিলেন তারা। সব মিলিয়ে এ বিশ্বকাপে ভারতের ছক্কার সংখ্যা ৯৮। এই ছক্কাগুলোর মধ্যে সন্জু স্যামসনের ২৪টি। আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে টানা তিনটি ৮০+ স্কোর শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়াবর্ধনে (২০১০), ফ্রান্সের গুস্তাভ ম্যাককিওন (২০২২)-এর সঙ্গী হয়েছেন তিনি আজ। শুধু জয়াবর্ধনে ও স্যামসন এই কীর্তি গড়েছেন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ২০ ওভারে ২৫৫/৫ (স্যামসন ৮৯, ইশান ৫৪, অভিষেক ৫২, শিবম ২৬*, পান্ডিয়া ১৮; নিশাম ৩/৪৬, রবীন্দ্র ১/৩২, হেনরি ১/৪৯)।
