ইয়ামালের রেকর্ড গড়া গোলে রক্ষা বার্সার, কোচের বকুনি

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নকআউট পর্বে নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচে হারতে বসা বার্সেলোনাকে রক্ষা করলেন তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। গত মঙ্গলবার রাতে সেন্ট জেমস পার্কে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর প্রথম লেগের এই ম্যাচে যোগ করা সময়ে গোল করে বার্সেলোনার ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছেন এই ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।

‎ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষে যখন নিউক্যাসেল ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল, তখন পরাজয় প্রায় নিশ্চিতই মনে হচ্ছিল হানসি ফ্লিকের শিষ্যদের। তবে ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তে (৯৫ মিনিটে) দানি ওলমো ডি-বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা।

‎অল্প বয়সেও অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে পেনাল্টি নিতে এগিয়ে আসেন ইয়ামাল। গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে বার্সেলোনাকে গুরুত্বপূর্ণ ১-১ সমতায় ফেরান তিনি। এর ফলে ফিরতি লেগের আগে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকল কাতালান ক্লাবটি।

‎বিখ্যাত ফুটবল পরিসংখ্যান ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান 'অপটা'-এর তথ্য অনুযায়ী, ইয়ামালের এই গোলটি বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসের সবচেয়ে দেরিতে করা পেনাল্টি গোল। গোলটি করার সময় ঘড়ির কাটায় সময় ছিল ৯৫ মিনিট ৫০ সেকেন্ড। এর মাধ্যমে তিনি ক্লাবের রেকর্ড বইয়ে নিজের নাম নতুনভাবে লিখলেন।
‎এর ফলে পরের সপ্তাহে ফিরতি লেগ খেলার আগে কিছুটা স্বস্তিতে থাকলেও কোচের কণ্ঠে ছিল ভিন্ন সুর।

‎​ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে হানসি ফ্লিক দলের ভুলগুলো সরাসরি তুলে ধরেন। তিনি বলেন:
‎​"বলের নিয়ন্ত্রণে আমরা একদমই ভালো করতে পারিনি। আমরা প্রচুর পজেশন হারিয়েছি এবং খুব সাধারণ কিছু ভুল করেছি—যা মূলত নিউক্যাসেল আমাদের কাছ থেকে চাচ্ছিল। আমরা ভালো খেলতে পারিনি, তবে আমাদের সামনে আসা সুযোগটি অন্তত কাজে লাগাতে পেরেছি।"

‎​কোচ মনে করেন, এমন ভুলগুলো বড় ম্যাচে দলের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। বিশেষ করে নিউক্যাসেলের মতো শারীরিক ফুটবলে পারদর্শী দলের বিপক্ষে বল হারানো ছিল বার্সেলোনার জন্য বড় ঝুঁকি।