নিরাপত্তা সংকটে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতার পর প্রতিষ্ঠিত প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। এখন প্রায় বিশ হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়টিতে জ্ঞানচর্চা করছে। কিন্তু আজ সে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলছে নিরাপত্তা সংকট। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

পবিত্র মাহে রমজান সেবা, আত্মত্যাগ আর সংযম নিয়ে আসে। রমজানের একেক দিন যায় আর খুশির ঈদের ভাবনায় উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের মন। কিন্তু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে এখন শোকের ছায়া। একের পর এক ঘটে চলেছে অপ্রীতিকর ও দুঃখজনক ঘটনা। সম্প্রতি সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনাকে ফজলুর রহমান নামের এক কর্মচারী ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। ক্রোধের এমন নগ্ন প্রকাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষককে হতবিহ্বল করে ফেলেছে। বিভাগে নিজ রুমে আসমা সাদিয়া আক্রান্ত হন। কর্মস্থলে নিজ কক্ষেও একজন শিক্ষক নিরাপদ নন এই উপলব্ধি ছাত্র-শিক্ষক সবাইকে আতঙ্কিত করেছে।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোরআন ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর লাশ পুকুরে আশ্চর্যজনকভাবে ভেসে ওঠে। যার বিচার বা তদন্তের কোনো অগ্রগতি আমরা এখনো দেখতে পাইনি।

এই অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে চরম নিরাপত্তা সংকট বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় বাসস্থান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যদি শিক্ষার্থীরা নিরাপদ বোধ না করে তাহলে তারা যাবে কোথায়? শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মনোযোগ আকর্ষণ করছি।

সাদিয়া খাতুন

শিক্ষার্থী, প্রথম বর্ষ, আরবি ভাষা ও সাহিত্য

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়