ক্ষমতায় আসার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে বিএনপি আরেকটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করল। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী গতকাল সোমবার থেকে দেশের ৫৪টি জেলায় একযোগে শুরু হলো খাল খনন কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়ায় কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। এদিন অন্যান্য জেলায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, নালা, খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলাধার সংরক্ষণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। প্রধানমন্ত্রী তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে এ কর্মসূচি শুরু করেছেন। জিয়াউর রহমান তার শাসনামলে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে গৃহীত খাল খনন কর্মসূচি গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুজ্জীবন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। ওই কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করা হয়েছিল, যা ‘সবুজ বিপ্লব’-এর অংশ হিসেবে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। বর্তমান উদ্যোগকে সেই কর্মসূচির ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দিনাজপুরে খনন কাজের উদ্বোধন শেষে খালের পাড়ে একটি বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যও রাখেন তিনি। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও দিনাজপুর জেলা বিএনপি যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু, সাদিক রিয়াজ চৌধুরী ও সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরে ফরিদপুর কবরস্থানে নানা-নানিসহ নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত করেন। এরপর বিকেল ৫টায় শহরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে দিনাজপুরের সুধী সমাবেশ, ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন। ইফতার শেষে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় দিনাজপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে বাসযোগে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, তার উদ্বোধন করা খালটির প্রায় ১২ কিলোমিটার খনন শেষ হলে এলাকার প্রায় ৩১ হাজার কৃষক সরাসরি সেচ সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর জমি এই সেচব্যবস্থার আওতায় আসবে এবং প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ বিভিন্নভাবে এ খালের পানির সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। খালটি চালু হলে বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের উপকার করা এবং তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। কৃষক ভালো থাকলে দেশের মানুষ ভালো থাকবে এ বিশ্বাস থেকেই কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আমরা কৃষিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চাই।’
তারেক রহমান বলেন, ‘কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের আয় বাড়াতে হবে। বিদেশিদের মতো বাংলাদেশকে সুন্দর করে গড়ে তোলা হবে। বিভিন্নরকম মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চায় তাদের কাছ থেকে সজাগ থাকতে হবে। জনগণ দেশের মালিক; সঙ্গে থাকলে যেকোনো কাজ করা সম্ভব হবে।’
নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার কথা বলা হয়েছিল এবং সরকার গঠনের পর মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
খাল খননের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অনেক খাল ও নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষার সময় পানি ধরে রাখা যায় না। ফলে একদিকে বন্যার সময় হঠাৎ করে উজান থেকে আসা পানি মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, অন্যদিকে শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটে কৃষিকাজ ব্যাহত হয়। খাল খননের মাধ্যমে বর্ষার অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং তা কৃষিকাজে ব্যবহার করা যাবে।’
তিনি জানান, সারা দেশে পর্যায়ক্রমে বড় পরিসরে খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে পানি সংরক্ষণ, সেচব্যবস্থা উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমানে অনেক এলাকায় খাল ও নদীতে পানি না থাকায় কৃষকদের গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলতে হয়। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছে। তাই মাটির ওপরে থাকা পানিকে সংরক্ষণ করা এবং পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করা জরুরি।’
উত্তরাঞ্চলের কৃষিনির্ভর এলাকাগুলোতে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তারেক রহমান। এ বিষয়ে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং ঈদের পর তাদের নিয়ে বৈঠক করে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়সহ এই এলাকায় কৃষিনির্ভর মিল ও শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এতে স্থানীয় তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
কুতুবপুর স্বনির্ভর খাল পুনঃখনন উদ্বোধন : বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের কুতুবপুর স্বনির্ভর খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সে সময় মন্ত্রী বলেন, ‘এ প্রকল্প ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়ারের টাকা আয়ের জায়গা হতে পারে না। সরকারি টাকা চুরি করতে দেওয়া যাবে না। খালের পানি কৃষিজমিতে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।’ তিনি জানান, কুতুবপুরের এ স্বনির্ভর খালের উৎস ও সমাপ্তি উভয়ই আড়িয়াল খাঁ নদে। পুরো খালটি ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ; গতকাল ২ কিলোমিটারের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে, পরে ৩ কিলোমিটার সম্পন্ন করা হবে।
নওগাঁয় ভূমিমন্ত্রী : নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বেলগাপুর-জুলুপাড়া উপপ্রকল্পের বেললতা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খননের মাধ্যমে একটি দুর্ভিক্ষপূর্ণ অবস্থা থেকে দেশকে শস্য শ্যামলা বাংলাদেশে পরিণত করেছিলেন। বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন।
মাগুরা ও নড়াইলে নিতাই রায় চৌধুরী : মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, চলতি জুন মাসের মধ্যে জেলার ১৬টি খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে মহম্মদপুর উপজেলার নারায়ণপুর খালের ৯৫৫ মিটার অংশ খননের মাধ্যমে কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। একই দিন নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের হাতিয়াড়া খাল খনন কাজের উদ্বোধন করে নিতাই রায় চৌধুরী।
নরসিংদীতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী : নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়নের বড় মির্জাপুর দক্ষিণপাড়া এলাকায় মহিষাখালী খাল খনন কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে জেলায় এ কর্মসূচির সূচনা করেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। সে সময় তিনি বলেন, আমাদের খাল খনন কর্মসূচি বর্ষাকালে শতভাগ কাজে আসবে। কৃষকরা এর মাধ্যমে জমিতে ফসল ফলানোসহ সবদিক থেকে উপকৃত হবেন।
খালে প্রাণ ফিরলে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম গতকাল গাজীপুর মহানগরীর অন্যতম বৃহৎ গাছা খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।
খাল খনন মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আলোকেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাল খননের কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। গতকাল দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে তালুক হাঁপানিয়া খাল পুনঃখননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
নদী-খাল দখলকারীরা জনগণের চেয়ে প্রভাবশালী নন : নদী ও খাল দখলকারীদের সাবধান থাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। তিনি বলেন, ‘নদী ও খাল যারা দখল করেছেন, তারা সাবধান হয়ে যান। আপনি যেই হোন না কেন, সরকারের চেয়ে, ১৮ কোটি জনগণের চেয়ে কেউ প্রভাবশালী নন। গতকাল কুমিল্লার লালমাই উপজেলার শাসনপাড়া-দোশারীচোঁ এলাকা থেকে ডাকাতিয়া নদীর একটি শাখা খাল খননকাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
খাল খননের মাধ্যমে দেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে হুইপ দুলু : জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে। তিনি গতকাল বড়াইগ্রামের কুমরুল এলাকায় মির্জা মামুদ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের কামারদহ গ্রাম থেকে কুমরুল হয়ে খোর্দ্দকাচুটিয়া পর্যন্ত খালের ৪ দশমিক ৮৫ কিলোমিটার পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়ন করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
পটুয়াখালীতে নুরুল হক : পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গলাচিপা-উলানিয়া খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন হয়েছে। গতকাল শ্যামলীবাগ এলাকায় কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এ কর্মসূচির সূচনা করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক।
জয়পুরহাটে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী : জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার মুরাইল ভাবকী এলাকায় প্রায় সাড়ে ১৫ কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ১৫.৩১ কিলোমিটার চারটি খাল পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি টাকা।
ময়মনসিংহে তথ্য প্রতিমন্ত্রী : ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নে সিংড়ার খালের কাজলকোঠা বিল থেকে বাদে কলমোহনা পর্যন্ত ৫.৮ কিলোমিটার খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। গতকাল প্রতিমন্ত্রী খাল খনন কাজের নামফলক উন্মোচন করেন। পরে তিনি খালপাড়ে বৃক্ষরোপণ করেন এবং পাঁচ জাতের দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
জামালপুরে প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত : জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নে জিয়া খাল নামে পরিচিত কাটাখালি খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। জিয়াউর রহমানের সময় কড়ইতলা ও আইড়মারী হয়ে চিনারচর দশানী নদী পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি খনন করা হয়েছিল। সেটি ফের খনন শুরু হলো।