শেয়ারবাজারে ফিরছেন বিনিয়োগকারীরা

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি প্রতিনিয়তই বাড়ছে। নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ফিরতে শুরু করেছেন। চলতি মার্চ মাসে সেই লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে (১২ কার্যদিবস) বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাব বেড়েছে ৫৫টি। অর্থাৎ, প্রতি কার্যদিবসে ৪টির বেশি বিদেশি ও প্রবাসী বিও হিসাব বেড়েছে। এই ১২ কার্যদিবসে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ৩ হাজার ১৬টি। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ২৫১টির বেশি।

বিও হলো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য ব্রোকারেজ হাউজ অথবা মার্চেন্ট ব্যাংকে একজন বিনিয়োগকারীর খোলা হিসাব। এই বিও হিসাবের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে লেনদেন করেন। বিও হিসাব ছাড়া শেয়ারবাজারে লেনদেন করা সম্ভব না। বিও হিসাবের তথ্য রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)।

সিডিবিএল-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ পর্যন্ত শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ২৫২টি। যা ফেব্রুয়ারি শেষে ছিল ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১১১টি। এ হিসাবে চলতি মার্চ মাসে শেয়ারবাজারে বিও হিসাব বেড়েছে ৩ হাজার ১৪১টি। অর্থাৎ, প্রতি কার্যদিবসে গড়ে বিও হিসাব বেড়েছে ২৬২টি।

এদিকে, বর্তমানে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের নামে বিও হিসাব আছে ৪৩ হাজার ১৯৭টি। যা ফেব্রুয়ারি মাস শেষে ছিল ৪৩ হাজার ১৪২টি। অর্থাৎ, চলতি মাসে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব বেড়েছে ৫৫টি।

চলতি মাসে বাড়লেও দীর্ঘদিন ধরেই ধারাবাহিকভাবে দেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কমছিল। ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে বিদেশি ও প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা ধারাবাহিকভাবে শেয়ারবাজার ছাড়তে থাকেন। যা অব্যাহত থাকে চলতি বছরের প্রথম দুই মাসেও।