আগামীকাল শুরু হচ্ছে প্রথম কক্সবাজার চলচ্চিত্র উৎসব

আগামীকাল ২৭ মার্চ থেকে  শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী প্রথম কক্সবাজার চলচ্চিত্র উৎসব। কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাবের উদ্যোগে এই আয়োজনে বাংলাদেশের ৫টি পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা, ১টি ইংরেজি চলচ্চিত্র এবং ১টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে। বুধবার (২৫ মার্চ) কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন আয়োজকরা। এ সময় জানানো হয়, ২৭ মার্চ বিকাল ৪টায় সমুদ্র সৈকতের লাবনী পয়েন্টস্থ জেলা প্রশাসনের উন্মুক্ত মঞ্চে পর্দা উঠবে এই উৎসবের। উদ্বোধন করবেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নান। 

উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হবে প্রামাণ্যচিত্র। এরপর প্রদর্শিত হবে বন্ধন বিশ্বাস পরিচালিত ‘ছায়াবৃক্ষ’, অপূর্ব রানা পরিচালিত ‘জলরং’ এবং বড়ুয়া সুনন্দা কাকন পরিচালিত বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম ইংরেজি চলচ্চিত্র ‘ডট’। ২৮ মার্চ উৎসবের সমাপনী দিনে দর্শক দেখবেন সবুজ খান পরিচালিত ‘বেহুলা দরদী’, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু পরিচালিত ‘ময়নার চর’ এবং তানভীর হাসান পরিচালিত ‘মধ্যবিত্ত’ এই পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র গুলোর মাধ্যমে প্রথম কক্সবাজার চলচ্চিত্র উৎসবের পর্দা নামবে। 

উৎসব প্রসঙ্গে কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম বলেন, আমাদের এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমাজের গল্প, মানুষের অনুভূতি এবং সময়ের বাস্তবতাকে সুন্দরভাবে তুলে ধরা। পাশাপাশি নতুন ও প্রতিভাবান নির্মাতাদের জন্য একটি সৃজনশীল মঞ্চ তৈরি করা, যেখানে তারা তাদের ভাবনা ও স্বপ্ন প্রকাশের সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, কক্সবাজার ফিল্ম ক্লাব বিশ্বাস করে, চলচ্চিত্র কেবল বিনোদন নয়- এটি সচেতনতা, সংযোগ এবং পরিবর্তনের শক্তিশালী মাধ্যম। সেই বিশ্বাস থেকেই এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। 

তিনি আরো বলেন, বড় পর্দায়, খোলা আকাশের নিচে, একসঙ্গে বসে একটি গল্প দেখা, এ সহজ অথচ গভীর অভিজ্ঞতাই এখানে মূল আকর্ষণ। মোবাইল ফোনের ছোট পর্দায় সিনেমা দেখার এ যুগে বাংলা সিনেমার সমসাময়িক গল্পগুলোকে বড় পর্দায় ফিরিয়ে আনাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।’ কক্সবাজারের লাবণী বিচ পয়েন্ট উন্মুক্ত মঞ্চে প্রতিদিন সন্ধ্যায় তিনটি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে এবং এই প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। 

প্রথম কক্সবাজার চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬ এর মিডিয়া পার্টনার চ্যানেল এস। সহযোগিতায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রনালয়, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এবং ঢাকা ফিল্ম ক্লাব।