পৃথিবীতে এই মুহূর্তে ৫৫০টির বেশি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম মাউন্ট এটিনা, মাউন্ট মেরাপি, মাউন্ট ভিসুভিয়াস, পোপোকেটাপেল। এর মধ্যে অন্যতম আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ভিসুভিয়াস। ইতালির নেপলস উপসাগরীয় অঞ্চলের আগ্নেয়গিরি এটি। নেপলস থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বদিকে, সমুদ্রোপকূলের খুব কাছে এটি। খ্রিস্টপূর্ব ৭৯ অব্দের অগ্ন্যুৎপাতে রোমান শহর পম্পেই এবং হারকিউলানিয়াম লাভার নিচে চাপা পড়ে ধ্বংস হয়। ভিসুভিয়াসের শেষ অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল ১৯৪৪ সালে। এতে ইতালিতে মারা গিয়েছিলেন ২৭ জন ও গৃহহীন হয়েছিল অনেক মানুষ। যেসব এলাকায় আগ্নেয়গিরি রয়েছে, সেখানে অগুœ্যৎপাতের ফলে সব জ্বলেপুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে নিমেষে। ডয়েচে ভেলের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অগুœ্যৎপাত ঘটার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছেন জার্মানির পটসডামে অবস্থিত জিওসায়েন্সেস গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা। ভূ-পদার্থবিদ বিয়র্গার গটফ্রিড ল্যুয়র পৃথিবীর ১৫০০ সক্রিয় আগ্নেয়গিরির অগুœ্যৎপাত এবং কম্পন সম্পর্কিত কার্যকলাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, ‘একটি আগ্নেয়গিরি কয়েকশ বছর ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে। এরপর হঠাৎ করে সক্রিয় হয়। তবে সক্রিয় হওয়ার কিছু পূর্ব লক্ষণ রয়েছে। বিস্ময়কর হচ্ছে, আগ্নেয়গিরির এ রকম প্রকাশ এখনো কেউ জানে না। পৃথিবীতে এ রকম অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে, দিনে প্রাণোচ্ছল দেশের মানুষ আর রাত গভীরে করাল মৃত্যু অসংখ্য মানুষকে গ্রাস করেছে। কেন এমন হচ্ছে, কীভাবে আগ্নেয়গিরির মারণ থাবা আটকানো যায় বিজ্ঞানীরা আজও তা জানেন না। কবে সঠিক তথ্য আসবে, আগাম বার্তা আসবে এসব গভীর চাওয়া পৃথিবীর শন্তিকামী মানুষের।