ঈদের ছুটির পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ভারতীয় কাস্টমস সুপারের মৃত্যুতে বন্দরটির আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুদেশের মধ্যে যাত্রী পারাপার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। সেই সঙ্গে বন্দরের ভেতরের সব কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর আগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১০ দিন বন্ধ ছিল এ বন্দর।
হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ড অব এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম বলেন, ঈদ উপলক্ষে ১৮ থেকে ২৭ মার্চ ১০দিন হিলি শুল্ক স্টেশনে কর্মরত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর ফলে ওই সময় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। ঈদের ছুটির পর গতকাল শনিবার থেকে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সব কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। এর ফলে বন্দর দিয়ে দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারতীয় কাস্টমসের এক কর্মকর্তার মৃত্যুতে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি বন্ধ রেখেছেন। ফলে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। আজ সকাল থেকে দুদেশের বাণিজ্য কার্যক্রম শুরু হবে।
এদিকে ঈদের ছুটি শেষে বন্দরে কর্মরত শ্রমিকরা তাদের কাজে যোগ দিয়েছেন। এর ফলে বন্দরের ভেতরে আটকে থাকা আগের আমদানি করা পণ্য খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে বন্দরের ভেতরের অন্যসব কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার কার্যক্রমের কোনো প্রভাব নেই। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত পাসপোর্ট যাত্রীরা এই পথ দিয়ে দুদেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারবেন।