প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীতে স্কুল চলাকালে যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, গতকাল মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করেন। রাজধানীতে স্কুলের সময় যেভাবে যানজট হয়, তা কীভাবে নিরসন করা যায় এবং এ ব্যাপারে বিকল্প ব্যবস্থা কী কী হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলেছেন। খবর বাসস
উদাহরণ টেনে অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, রাজধানীর একটি স্কুলে ১৫০ শিক্ষার্থীর জন্য ১০০ গাড়ি স্কুলের সামনে ভিড় করে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসতে বেগ পেতে হয়। সমস্যাগুলো অ্যাড্রেস করে প্রধানমন্ত্রী বিকল্প খুঁজতে মন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন।
শিক্ষামন্ত্রীর পরে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
পদোন্নতিবঞ্চিত চিকিৎসকদের কথা শুনলেন প্রধানমন্ত্রী : এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন পদোন্নতিবঞ্চিত চিকিৎসকরা। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী তাদের বিভিন্ন দাবিদাওয়ার কথা শোনেন।
আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন করতে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের চিকিৎসকদের একটি দল মঙ্গলবার সচিবালয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ন্যায়সংগত দাবিগুলো তুলে ধরতে যান তারা। তবে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতের আগেই প্রধানমন্ত্রীর অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ পেয়ে যান তারা। এ সময় চিকিৎসকরা প্রধানমন্ত্রীর হাতে তাদের লিখিত দাবিগুলো তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।
আবেদনপত্রে বলা হয়, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের মোট ১ হাজার ৮২১ কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতিবঞ্চনার অভিযোগ করে আসছেন। তাদের দাবি প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, জ্যেষ্ঠতা এবং সব শর্ত পূরণ করা সত্ত্বেও বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। এতে প্রশাসনিক কাঠামোয় অস্বাভাবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে অনেক জুনিয়র কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়ে সিনিয়রদের ওপরে দায়িত্ব পালন করছেন।